3 Answers
ম্যালেরিয়া রোগে যখন কোন লোক আক্রান্ত হয় তখন তার খুব শীত করে জ্বর আসে। গায়ের তাপ খুব বেশি হয় এবং কয়েকঘণ্টা এই তাপ থাকে। এই তাপ দুই তিন দিন পর পর আসে। এরূপ অবস্থা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসক দেখাতে হবে। সুযোগ থাকলে রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। আর মনে রাখবেন, প্রত্যেক পরিবারেই একটি থার্মোমিটার থাকা উচিত। একজন অসুস্থ লোকের শরীরের তাপমাত্রা প্রতিদিন চারবার দেখতে হবে এবং তা লিখে রাখতে হবে।
শরীরে জ্বর থাকলে,শীত শীত লেগে জ্বর আসলে,গা কাটা দিয়ে জ্বর আসলে-বুঝে নিতে হবে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে! নিশ্চত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে!
ম্যালেরিয়া মূলত প্লাজমোডিয়াম, ওভালে অথবা ম্যালেরিয়ার যেকোনো একটি জীবানু বহনকারী মশার দংশন থেকে এ রোগ হয়।
ম্যালেরিয়ার লক্ষণ:
ম্যালেরিয়ার সাধারণ লক্ষণ হল শীত লাগা এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা। এটা বড়দের মধ্যেই অধিকহারে দেখা যায়। বাচ্চাদের অনেক সময় জ্বরের সঙ্গে পেটের গোলমাল, শ্বাসজনিত অসুবিধা ইত্যাদি দেখা যায়। ছয় মাসথেকে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা ভাবটি লক্ষ্য করা যায় না। এর পরিবর্তে খিটখিটে ভাব, ঝিমুনি, খাওয়ার অনীহা, বমি, মাথাব্যথা, খুব বেশী জ্বর প্রভৃতি দেখা দিয়ে থাকে। পাঁচ বছরের বেশী বয়সীরা ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত হলে প্রথমে শীত ও কাঁপুনি অনুভব করে, তারপর জ্বর ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। সেই সঙ্গে প্রচন্ড মাথাব্যথা ও তারপর ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়লে রোগী খুব দুর্বল বোধ করে। ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়া ভয়াবহ আর জটিল আকার ধারণ করতে পারে শুরু থেকেই।
খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, রক্তস্বল্পতা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, কোমায় আচ্ছন্ন হওয়া ইত্যাদি জটিলতার লক্ষণ।
প্রাথমিক বিপদ সংকেত
ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তদের মধ্যে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে:
পানি অথবা খাবারের প্রতি খুব বেশী অনীহা, ঘন ঘন বমি হওয়া, খিঁচুনি ও ঝিমুনিভাব দেখা দিলে বা অজ্ঞান হয়ে পড়লে এবং রোগীর মাঝে অত্যধিক ক্লান্তি দেখা দিলে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy