টাক হওয়া থেকে কিভাবে রক্ষা পাবো|?
3 Answers
বেশি করে দুধ ও ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খান। এটা আপনার চুলের গোড়া কে শক্ত করবে।যেহেতু চুলকায় তার কারণ সম্ভবত খুশকি। এর জন্য Dancel শ্যাম্পু ইউজ করতে পারেন। (Pharmacy তে পাবেন)।বেশি করে সবুজ শাক-সবজি ও ফলমূল খাবেন। একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের প রামর্শশ নিন। আর প্র্যাক্টিক্যাল লাইফ থেকে সাজেশন দিবো। একবার ন্যাড়া হয়ে যান। চুল পড়া অনেক কমবে।
অনেক উপায় আছে চুল পড়া বন্ধের। ১)
মেথি রাতে ভিজিয়ে রেখে
সকালে পিষে নিন।সপ্তাহে একদিন
এই মেথিবাটা পুরো চুলে লাগান,
৩০ মিনিট রেকেহ ধুয়ে ফেলুন। ২)
নারকেল তেলের সাথে আমলকী
ছেঁচে জ্বালদিন, ঠান্ডা হলে
বোতলে ভরে রাখুন। বাড়ীতে
বানানো এই আমলা তেল সপ্তাহে
দুদিন একটু গরম করে নিয়ে মাথার
ত্বকে এবং পুরো চুলে ঘষূন, পরে ধুয়ে
ফেলুন। ৩)মেহেদী পাতা বাটার
সাথে একটা ডিম, একটা পাতিলেবুর
রস মিশিয়ে লাগান ১৫ দিনে
একবার। এই হোম রেমিডি গুলোর
দারুন কাজ করবে যদি আপনার সঠিক
সুষম খাদ্যাভ্যাস থাকে।
প্রতিদিনের খাবারে অবশ্যই প্রচুর
আঁশযুক্ত শাক-সব্জী-মাছ-দেশী ফল-দুধ
রাখবেন। এর সাথে রোজ সকালে
এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর শরবত
খাবেন, চুল পড়া তো বন্ধ হবেই সেই
সাথে ত্বকের যেকোন সমস্যা, পেট
বা হজমের সমস্যা, মেয়েলী সমস্যা
অন্যান্য যেকোন শারীরিক সমস্যা
দূর হবে।
সূএঃবেশতো।
চুল পড়া বন্ধ করার উপায়:: ১. দৈনিক চুল ধোয়ার জন্য হালকা ধরণের শ্যম্পুর ব্যবহারঃ অনেক পরিমাণে চুল ঝরে পরা রোধ করার জন্য সব সময় চুল এবং মাথার ত্বক পরিস্কার রাখার জন্য সুপারিশ করা হয় যার জন্য দৈনিক চুল ধোয়া প্রয়োজন। রোজ চুল ধোয়া মাথার ত্বকে খুশকি বা সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। এই খুশকি বা সংক্রমণই হল চুল ঝরে পরার আসল কারণ। এছাড়াও এই পরিষ্কারকটি চুলের পরিমাণকে অনেক বেশী করে দৃশ্যমান করে। ২. ভিটামিন গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিনঃ ভিটামিনকে শুধুমাত্র সমস্ত দেহের জন্যই কার্যকর মনে করা হয় না বরং চুলের জন্যও তা প্রযোজ্য। বিশেষত মাথার ত্বকে থাকা sebum এর উৎপাদনে সহায়তার জন্য ভিটামিন A কে প্রয়োজনীয় মনে করা হয়। আরেকটি ভিটামিন হল E যা মাথার ত্বকে রক্ত ভাল ভাবে সংবহনে সহায়তা করে যার ফলে চুলের কোষ বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও বেশী চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়াও চুলের রঙ বজায় রাখার জন্য ভিটামিন B এর গ্রহণ বাড়িয়ে দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। ৩. খাদ্য তালিকায় প্রোটিন যোগ করুনঃ চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন হয় যা মাছ, চর্বি বিহীন মাংস, সয়া এবং আরও নানা ভাবে পাওয়া যায় যা চুল ঝরে পরাকেও প্রতিরোধ করে। ৪. ম্যসাজের জন্য এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করুনঃ যারা পূর্ব থেকেই চুল ঝরে পরা সমস্যায় ভুগছেন তারা এসেন্সিয়াল অয়েল দিয়ে মাথার ত্বক কয়েক মিনিট ধরে ম্যাসেজ করে দেখতে পারেন। সরিষার তেল বা কাঠবাদামের তেলের মত এসেন্সিয়াল তেলের সাথে ল্যাভেন্ডার মিশিয়ে ব্যবহার করলে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে চুলের গোঁড়ার কোষ সমূহ দীর্ঘ সময়ের জন্য সক্রিয় থাকবে। ৫. ভেজা চুলে চিরুনি ব্যবহার করবেন নাঃ যখন চুল পানিতে ভেজা থাকে তা সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় থাকে এজন্য ভেজা চুলে চিরুনি চালালে চুলের ঝরে পরার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ভেজা চুলে চিরুনি না ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়। যদি কখনো ভেজা চুলে চিরুনি করার প্রয়োজন হয় তবে চওড়া দাঁত বিশিষ্ট চিরুনি ব্যবহার করুন। যেহেতু অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো চুলের ক্ষতির কারণ এবং চুল ঝরে পরার কারণ বলে মনে করা হয় তাই এতে কোন জট পরলে চুলের ভেতর আঙ্গুল চালিয়ে তা ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে বলা হয়। ৬. পিঁয়াজ, আদা বা রসুনের রসঃ এগুলোর যে কোনটির রস করে মাথার চামড়াতে ভাল করে ঘষে মেখে সমস্ত রাত রেখে দিন এবং সকালে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন। এটি যদি অন্তত এক সপ্তাহ দৈনিক ব্যবহার করা হয় তবে চুল ঝরে না পরার ব্যপারে ভাল কিছু ফলাফল পাওয়া যায়। ৭. পানি গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দিনঃ প্রতি গোছা চুলে বেশ পরিমাণে পানি থাকে এজন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার জন্য সুপারিশ করা হয়। এতে করে চুলে পানির সঠিক পরিমাণ বজায় থাকে এবং চুলের স্বাস্থ্য নিশ্চিত হয়। ৮. সবুজ চাঃ একটি জরিপে দেখা গেছে যে চুলে সবুজ চা ঘষে চুল ঝরে পরার চিকিৎসা করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র দুইটি টি ব্যাগ। টি ব্যাগ দুটি কাপে নিয়ে তাতে ফুটন্ত পানি দিন। এর পর তা ঠাণ্ডা হলে চুলে প্রয়োগ করুন। ধুয়ে ফেলার পূর্বে অন্তত এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। ভাল ফলাফল পেতে অন্তত এক সপ্তাহ ধরে বা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এর বেশী সময় ধরে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। ৯. চুলের জন্য যা ক্ষতিকর তা চিহ্নিত করুনঃ আপনার চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রথমেই কিভাবে ভাল ভাবে চুলের যত্ন নিতে হবে তা শেখার জন্য সুপারিশ করা হয়। টাওয়েল দিয়ে না ঘষে স্বাভাবিক ভাবে চুল শুকিয়ে যেতে দেয়া অনেক ভাল। ১০. অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুনঃ যারা চুল ঝরে পরা সমস্যার শিকার তাদের অ্যালকোহল গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া উচিত। এটা জানা গেছে যে অ্যালকোহল পান চুলের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। ১১. ধূমপান নয়ঃ সিগারেট পানে মাথার চামড়াতে রক্ত সংবহনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এটি সরাসরি চুলের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দিয়ে প্রভাবিত করে। ১২. নিয়মিত শরীরচর্চাঃ দৈনিক কিছু সময় নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম করলে, যা হতে পারে অন্তত আধ ঘণ্টার জন্য হাঁটাহাঁটি বা সাঁতার কাটা, শরীরের হরমোনের ভারসাম্য সঠিক থাকে এবং একই সাথে মানসিক চাপ এবং চুল ঝরে পরা কমায়। তাই নিয়মিত ভাবে এ ধরণের কাজ করার জন্য সুপারিশ করা হয়। ১৩. মানসিক চাপের বিরুদ্ধে লড়াই করুনঃ চুল ঝরে পরার জন্য মানসিক চাপকে অন্যতম কারণ হিসাবে গন্য করা হয়। এজন্য চুল ঝরে পরা বন্ধের জন্য প্রথমেই মানসিক চাপকে পরাস্ত করার জন্য বলা হয়। মানসিক চাপ কমানোর কয়েকটি প্রচেষ্টার মধ্যে আছে ইয়োগা এবং মেডিটেশন যেগুলিকে মনে করা হয় হরমোনের সঠিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার জন্য অন্যতম উপায়। ১৪. ঘন ঘন heating and drying থেকে বিরত থাকুনঃ চুলকে ঘন ঘন heating and drying প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে দিবেন না, কারণ এর ফলে চুলের প্রোটিন কমে যায়। এতে করে চুল দুর্বল হয়ে যায় এবং একে ভঙ্গুর করে ফেলে। ১৫. মাথা ঘামতে দিবেন নাঃ যাদের মাথার চামড়া তেলতেলে হয় তাদের খুসকি সমস্যা হতে দেখা যায়, বিশেষ করে গ্রীষ্ম কালে। এ কারণে মাথা ঘামার কারণে চুলের ঝরে পরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। খুসকিতে চুল আক্রান্ত হওয়া প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা এবং নিম সমৃদ্ধ শ্যাম্পু চুলে ব্যবহার করার জন্য সুপারিশ করা হয়। যারা নিয়মিত হেলমেট পরেন তাদেরকে চুল ঝরে পরা সমস্যায় ভুগতে বেশী দেখা যায়। এর কারণ বদ্ধ অবস্থায় মাথার চামড়া ভেজা থাকলে চুলের কোষগুলি বন্ধ হয়ে যায় ফলে চুল ঝরে পরে। হেলমেট পরার কোন বিকল্প না থাকলে মাথায় স্কার্ফ বেধে তারপর হেলমেট পরে চুল ঝরে পরার সমস্যা কমানো যায়। ১৬. চুলের স্টাইল পরিবর্তন করুনঃ Braids এবং ponytails এর মত চুলের স্টাইলে চুল টেনে বাধা হয় ফলে চুলের গোঁড়ার কোষে ক্রমাগত টান পরার ফলে চুল উঠে টাক পরার সম্ভাবনা দেখা দেয়, এ জন্য আপনাকে চুলের স্টাইলের পরিবর্তন করতে হতে পারে। ১৭. সুস্বাস্থ্য বজায় রাখুনঃ চুলের সমস্যা সুস্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। স্বাস্থ্যবান চুল পাওয়ার জন্য সংক্রমণ, জ্বর বা অন্য কোন অসুস্থতা থেকে মুক্ত থাকতে হবে। ১৮. উপযুক্ত ঔষধের খোজ করুনঃ কিছু ঔষধ আছে যা শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে যার ফলে চুল ঝরে পরে যেতে পারে। এজন্য ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে সঠিক ঔষধ বেছে নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। ১৯. কেমিকেল পরিহার করুনঃ কিছু কেমিকেলের কারণে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি চুল রং করার রাসায়নিক পন্যের কারণেও অনেক সময় চুল ঝরে পরে যেতে দেখা যায়। ২০. নিয়মিত বিরতিতে ডাক্তারের সাথে দেখা করুনঃ চুল ঝরে পরার একটা কারণ হতে পারে হরমোনের পরিবর্তন যা একটি সুস্থ্যতা সংক্রান্ত বিষয় এবং এর সাথে ত্বকের বিষয়টিও জড়িত। তাই নিয়মিত ডাক্তারের সাথে সকল বিষয় নিয়ে পরামর্শ করার জন্য সুপারিশ করা হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy