আমি এখনো ভোটার হইনি।তাই অনলাইনের মাধ্যেমে ভোটার হতে চাই।যদি এই বিষয় সর্ম্পকে আপনাদের ধারনা থাকে তাহলে আমাকে জানাবেন প্লীজ।
2610 views

2 Answers

ভোটার তালিকা করার পরে ১৮ বছর বয়সের বেশি হওয়া, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটাররা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে আবার আবেদনের প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যক্তি আবার আবেদন করলে সেটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আপনি নিচের লিংকে গেলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন। সব কিছু সুন্দর করে গুছিয়ে লিখা আছে, নিয়ম কানুন। https://services.nidw.gov.bd/

2610 views

আপনি যদি অনলাইনে ভোটার হতে চান তাহলে http://services.nidw.gov.bd   ঠিকানায় লগইন করতে হবে।

এরপর ফরম ডাউনলোড ক্যাটাগরিতে ক্লিক করে ফরমটি ডাউনলোড করে ভালভাবে পূরণ করতে হবে।

কেউ ইতোমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যক্তি পুনরায় আবেদন করলে তা দন্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।

নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

যা যা লাগবে...
• এসএসসি সনদ - (বয়স প্রমানের সনদ)
• জন্ম নিবন্ধন - (বয়স প্রমানের সনদ)
• পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / টি.আই.এন - (বয়স প্রমানের সনদ)
• ইউটিলিটি বিলের কপি/বাড়ী ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ – (ঐ এলাকায় সচরাচর বসবাস করেন এরূপ কোন প্রমান)
• নাগরিকত্বের সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রীর আই.ডি কার্ডের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

যে ভাবে ফরম পূরণ করবেন...
১. ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
২. নিজের পূর্ণ নাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পূরণ করতে হবে।
৩. সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউ এর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনরায় যাচাই করে নিতে হবে।
৪. পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ  নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে।
৫. আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে।
৬. কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

2610 views

Related Questions