5 Answers
চুল নারী পুরুষ নির্বিষে সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুন্দর ঝলমলে চুল কে না পছন্দ করে। সুন্দর চুল পাওয়ার জন্য মানুষের চেষ্টার কমতি নেই। হেয়ার ট্রিটমেন্ট, হেয়ার প্যাক কত কিছুই না করে চুল পরিচর্যার জন্য। অথচ আমরা নিজেরাই অনেক সময় নিজের অজান্তে চুলের ক্ষতি করে থাকে। প্রতিদিন নিজেদের নানা ভুল কাজে নষ্ট হয়ে যায় চুল। আসুন জেনে নিই নিজেদের ভুলগুলো যার জন্য চুল পড়ে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
নারী পুরুষ নির্বিশেষে সাড়া পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য মানুষকে একটি সাধারণ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এটি চুল ঝরে পরার সমস্যা ছাড়া আর কিছুই নয় যা খুবই স্বাভাবিক। দৈনিক প্রায় ১০০ টি হারে চুল ঝরে পরে। প্রকৃত পক্ষে এরকম মাথার খুলি থেকে চুল ঝরে পরাতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই তবে চিন্তিত হওয়ার যে কারণ সমূহ আছে তার তালিকায় আছে খনিজের অভাব, মানসিক চাপ, বংশগত কারণ, ঔষধের প্রভাব, দূষণ এবং খাদ্যতালিকা। কিন্তু পুরুষের কথা আসলে একটি অন্যরকম কারণ আছে যেটি হল মাথায় ক্যাপ বা হেলমেট পরা। সকল কিছু বিবেবেচনা করে চুল পরার চিকিৎসার সহায়তার জন্য ২০ টি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যা নীচে বর্ণনা করা হয়েছে। ১. দৈনিক চুল ধোয়ার জন্য হালকা ধরণের শ্যম্পুর ব্যবহারঃ অনেক পরিমাণে চুল ঝরে পরা রোধ করার জন্য সব সময় চুল এবং মাথার ত্বক পরিস্কার রাখার জন্য সুপারিশ করা হয় যার জন্য দৈনিক চুল ধোয়া প্রয়োজন। রোজ চুল ধোয়া মাথার ত্বকে খুশকি বা সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। এই খুশকি বা সংক্রমণই হল চুল ঝরে পরার আসল কারণ। এছাড়াও এই পরিষ্কারকটি চুলের পরিমাণকে অনেক বেশী করে দৃশ্যমান করে। ২. ভিটামিন গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিনঃ ভিটামিনকে শুধুমাত্র সমস্ত দেহের জন্যই কার্যকর মনে করা হয় না বরং চুলের জন্যও তা প্রযোজ্য। বিশেষত মাথার ত্বকে থাকা sebum এর উৎপাদনে সহায়তার জন্য ভিটামিন A কে প্রয়োজনীয় মনে করা হয়। আরেকটি ভিটামিন হল E যা মাথার ত্বকে রক্ত ভাল ভাবে সংবহনে সহায়তা করে যার ফলে চুলের কোষ বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও বেশী চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়াও চুলের রঙ বজায় রাখার জন্য ভিটামিন B এর গ্রহণ বাড়িয়ে দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। ৩. খাদ্য তালিকায় প্রোটিন যোগ করুনঃ চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন হয় যা মাছ, চর্বি বিহীন মাংস, সয়া এবং আরও নানা ভাবে পাওয়া যায় যা চুল ঝরে পরাকেও প্রতিরোধ করে। ৪. ম্যসাজের জন্য এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করুনঃ যারা পূর্ব থেকেই চুল ঝরে পরা সমস্যায় ভুগছেন তারা এসেন্সিয়াল অয়েল দিয়ে মাথার ত্বক কয়েক মিনিট ধরে ম্যাসেজ করে দেখতে পারেন। সরিষার তেল বা কাঠবাদামের তেলের মত এসেন্সিয়াল তেলের সাথে ল্যাভেন্ডার মিশিয়ে ব্যবহার করলে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে চুলের গোঁড়ার কোষ সমূহ দীর্ঘ সময়ের জন্য সক্রিয় থাকবে। ৫. ভেজা চুলে চিরুনি ব্যবহার করবেন নাঃ যখন চুল পানিতে ভেজা থাকে তা সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় থাকে এজন্য ভেজা চুলে চিরুনি চালালে চুলের ঝরে পরার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ভেজা চুলে চিরুনি না ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়। যদি কখনো ভেজা চুলে চিরুনি করার প্রয়োজন হয় তবে চওড়া দাঁত বিশিষ্ট চিরুনি ব্যবহার করুন। যেহেতু অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো চুলের ক্ষতির কারণ এবং চুল ঝরে পরার কারণ বলে মনে করা হয় তাই এতে কোন জট পরলে চুলের ভেতর আঙ্গুল চালিয়ে তা ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে বলা হয়। ৬. পিঁয়াজ, আদা বা রসুনের রসঃ এগুলোর যে কোনটির রস করে মাথার চামড়াতে ভাল করে ঘষে মেখে সমস্ত রাত রেখে দিন এবং সকালে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন। এটি যদি অন্তত এক সপ্তাহ দৈনিক ব্যবহার করা হয় তবে চুল ঝরে না পরার ব্যপারে ভাল কিছু ফলাফল পাওয়া যায়। ৭. পানি গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দিনঃ প্রতি গোছা চুলে বেশ পরিমাণে পানি থাকে এজন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার জন্য সুপারিশ করা হয়। এতে করে চুলে পানির সঠিক পরিমাণ বজায় থাকে এবং চুলের স্বাস্থ্য নিশ্চিত হয়। ৮. সবুজ চাঃ একটি জরিপে দেখা গেছে যে চুলে সবুজ চা ঘষে চুল ঝরে পরার চিকিৎসা করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র দুইটি টি ব্যাগ। টি ব্যাগ দুটি কাপে নিয়ে তাতে ফুটন্ত পানি দিন। এর পর তা ঠাণ্ডা হলে চুলে প্রয়োগ করুন। ধুয়ে ফেলার পূর্বে অন্তত এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। ভাল ফলাফল পেতে অন্তত এক সপ্তাহ ধরে বা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এর বেশী সময় ধরে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। ৯. চুলের জন্য যা ক্ষতিকর তা চিহ্নিত করুনঃ আপনার চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রথমেই কিভাবে ভাল ভাবে চুলের যত্ন নিতে হবে তা শেখার জন্য সুপারিশ করা হয়। টাওয়েল দিয়ে না ঘষে স্বাভাবিক ভাবে চুল শুকিয়ে যেতে দেয়া অনেক ভাল। ১০. অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুনঃ যারা চুল ঝরে পরা সমস্যার শিকার তাদের অ্যালকোহল গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া উচিত। এটা জানা গেছে যে অ্যালকোহল পান চুলের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। ১১. ধূমপান নয়ঃ সিগারেট পানে মাথার চামড়াতে রক্ত সংবহনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এটি সরাসরি চুলের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দিয়ে প্রভাবিত করে। ১২. নিয়মিত শরীরচর্চাঃ দৈনিক কিছু সময় নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম করলে, যা হতে পারে অন্তত আধ ঘণ্টার জন্য হাঁটাহাঁটি বা সাঁতার কাটা, শরীরের হরমোনের ভারসাম্য সঠিক থাকে এবং একই সাথে মানসিক চাপ এবং চুল ঝরে পরা কমায়। তাই নিয়মিত ভাবে এ ধরণের কাজ করার জন্য সুপারিশ করা হয়। ১৩. মানসিক চাপের বিরুদ্ধে লড়াই করুনঃ চুল
অনেক কারণেই চুল পড়তে পারে। তারমধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বংশগত। চুল পাতলা হয়ে গেছে বা পড়ে যাচ্ছে এগুলা নিয়ে দুঃচিন্তা করা উচিত নয়। চুলের ব্যাপার দুঃচিন্তা করলে আরো বেশি চুল পড়বে। পেয়াজের রস, আমলকির রস, ওলিভ ওয়ল ভাল কাজ করে। ব্যবহার করতে থাকুন চুল পড়া একবারে বন্ধ না হলেও ভাল ফল পাবেন।
রোজ চুলে অলিভ অয়েল,নারকেল তেল,এগুলোর সাথে ভিটামিন ই মিশিয়ে লাগাবেন।সপ্তাহে একবার কাস্টেল অয়েল মাথায় দিবেন,সকালে উঠে ধুয়ে ফেলবেন,আমলকির রস,এলোভেরা মাথায় লাগাবেন।এগুলো নিয়মিত মাথায় লাগালে চুল পড়া তো বন্ধ হবেই সাথে চুলের গোঁড়া অনেক শক্ত হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy