1 Answers
সাধারণভাবে মনে রাখার বিষয়টি নিয়ে দুটি তত্ত্ব প্রচলিত আছে।
প্রথমত, স্মরণশক্তি একটি ক্রমিক গতিশীল প্রক্রিয়া। কোনোকিছু দেখা বা শেখার ফলে আমাদের সমস্ত সত্তায় একটি ঘাত উপলব্ধি করি। ঘাতটি তরঙ্গায়িত হয়ে মস্তিষ্কের নিউরনদের মাঝে গিয়ে পৌঁছায় এই এখানেই অভিজ্ঞতাটি সঞ্চিত হয়। এটি হল একটি প্রচলিত মত।
দ্বিতীয়ত, আমাদের অর্জিত অভিজ্ঞতা দেখা বা শোনা যাই হোক এরা যে অনুভূতির জন্ম দেয় সেগুলো মস্তিষ্কে কিছু স্থায়ী পরিবর্তন ঘটিয়ে স্মৃতি হিসেবে টিকে থাকে। কিছু কিছু জীববিজ্ঞানী বলেন, আমাদের মস্তিষ্কে যে এক বিচিত্র রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে তার কাজ হল ক্রমিক অভিজ্ঞতাকে ধরে রাখা। এদের মতে মস্তিষ্কের নিউরনে যে RNA আছে তার বৃদ্ধিকাল হল ৩ বছর বয়স থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত। মানুষের এই বয়সটাতে স্মরণশক্তি বাড়তে থাকে। তারপর ৪০ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত তা কমতে থাকে।
স্মৃতিতে কোনোকিছু ধরে রাখার মানে হল বিষয়টিকে বারবার আবৃত্তি করা। মনস্তত্ত্ববিদরা বলেন, যা আমরা মনে রাখতে চাই তার যদি একটি ছবি মনের মধ্যে তৈরি করে নিই, একটি চিত্রকল্পরুপ মনে মনে দাঁড় করাই তাহলে মনে রাখা সহজ হয় আর অনেকদিন পর্যন্ত তা মনে রাখাও সম্ভব হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy