2 Answers
এই প্রশ্নের উত্তর ভালোভাবে বুঝতে পারবে যদি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া বুঝে থাক। যাই হোক, রাসায়নিক বিক্রিয়া বলতেই বুঝায় যে একাধিক বিক্রিয়ক তাদের মধ্যে বিনিময়যোগ্য অংশ বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন উপাদান তৈরি করা। সবসময় যে বিনিময় হবে তেমন কোন শর্ত নেই ঠিকিই তবে সবসময় একটা বিক্রিয়ক অন্য বিক্রিয়কের সংস্পর্শে আসলেই নতুন কিছু তৈরি করার প্রবণতা দেখায়। এ থেকেই উৎপাদের তৈরি। আশা করি উত্তর পাইছেন।
গঠনের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে রাসায়নিক বন্ধন প্রধানত ৪ প্রকার- ১. তড়িৎযোজী বা আয়নিক বন্ধন (Electrovalent or Ionic bond) ২. সমযোজী বা সহযোজী বন্ধন (Covalent bond) ৩. সন্নিবেশ বন্ধন (Co-ordinated covalent bond) ৪. ধাতব বন্ধন (Metallic bond) এখানে সন্নিবেশ বন্ধনে আমরা উপরোক্ত নিয়ম দেখতে পারব। আবার, পদার্থের অণুগুলো পরস্পর যে বল দ্বারা যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ভৌত কাঠামো গঠন করে তাকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বলে। এ আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের রূপ বিভিন্ন রকম হতে পারে- ১. ডাইপোল-ডাইপোল আকর্ষণ বল ২. ভ্যান্ডার ওয়ালস আকর্ষণ বল ৩. হাইড্রোজেন বন্ধন, ইত্যাদি এখানে ডাইপোল ডাইপোল আকর্ষণ বল বিদ্যমান বিক্রিয়কগুলো উপরোক্ত নিয়মের বিক্রিয়া করে। উদাহরণঃ অ্যাসিটিলিন (C2H2)=CH(-ve)+CH(-ve) উল্লেখ্য যে, এর জন্য আপনাকে sp সংকরণ বুঝতে হবে। সিগমা বন্ধন আর পাই বন্ধন বুঝতে হবে।