2 Answers
তাকদির বা ভাগ্য দুই প্রকার—মুবরাম ও মুআল্লাক। মুবরাম অর্থ স্থিরকৃত, মুআল্লাক অর্থ পরিবর্তনীয়। আল্লাহ তাআলা ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন, তিনি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা রাখেন। ভাগ্য নেক আমল, পিতা-মাতার দোয়া ও দান-সদকা ইত্যাদির মাধ্যমে পরিবর্তন হয়। ভাগ্য মানুষের অজানা বিষয়, আমরা জানি না তা স্থির নাকি পরিবর্তনীয়। সুতরাং আমাদের নাফরমানি থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। নেক আমল করতে থাকা চাই। যাবতীয় কল্যাণকর বিষয়ের জন্য সদা চেষ্টা-প্রচেষ্টা করে যাওয়া উচিত। আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকতে হবে। তবেই তিনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন। আমাদের তকদিরকে সৌভাগ্যে পরিণত করে দেবেন। আর এ কথা মনে রাখা যে কর্মই ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে।’ (সুরা : রাদ, আয়াত : ১১) ভাগ্য সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়। তকদিরের ওপর ঈমান রাখা আবশ্যক। এ সম্পর্কে বিতর্ক নিরাপদ নয়। এ বিতর্ক অনেক ক্ষেত্রে কুফরি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। মহানবী (সা.) ভাগ্য নিয়ে বিতর্কে জড়াতে নিষেধ করেছেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২১৩৩)
ভাগ্যে থাকলে নামাজ পড়ার দরকার কি এই কথাটা বললে আপনি সাথে সাথে ইমান হারা হয়ে কাফের হয়ে যাবেন।আপনাকে পুনরায় কালিমা সাহাদাত বাণী পাঠ করতে হবে , আর তা না করে যদি আপনি মূত্যু বরণ করেন তাহলে আপনার ঠিকানা ,আল্লাহ না করুক , হতে পারে সরাসরি জাহান্নাম এতে কোন সন্দেহ নেই ।আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপর ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করেছেন ।যে ভাগ্যে থাকলে আবার নামাজ পড়তে হবে কেন এ কথা বলতে পারে তার পক্ষে ইমানের অন্য ৬ টি বিষয়কে অবিশ্বাস করাও কোন কঠিন বিষয় নয়। আমরা দুনিয়াতে এসে কে কি করব তা আল্লাহ তায়ালা আমাদা রূহ জগতে থাকার সময়েই জানতেন।তাই তিনি আমাদের ভাগ্য আগে থেকেই সিলেক্ট করে দিয়েছেন।তবে আমরা এই ভাগ্যকেও আল্লাহর রহমত করুণা ও সৎ রাস্তায় ফিরে আসার তৌফিক দানের মাধ্যমে পরিবর্তন করে দিতে পারে । তাই আমরা সর্বদাই ভালো আমল ও সৎ পথে চলা এক কথায় একজন খাটি মুসলমানের সকল গুন অর্জনের চেষ্টা করব , তবে আল্লাহ আমাদেরকে পরিক্ষা স্বরূপ দুঃখ কষ্ট নাজিল করতে পারেন এতেও আল্লাহর রহমত ও দয়া থেকে নৈরাশ হোয়া চলবে না।আপনার প্রশ্নের আলোকে একটা উদাহারণ দিব বিষয়টা পরিষ্কার হওয়ার জন্যে।বর্তমান করোনা পরিস্তিতিতে মনে করেন আপনার এলাকা সম্পূর্ন করোনা মুক্ত এখন