1 Answers
নিম্নলিখিত অবস্থায় বর্ধিত কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে ওষুধ প্রয়োগ জরুরি: যখন জীবনশৈলী এবং খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন করেও বর্ধিত কোলেস্টরলের মাত্রা কমান যায় না। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে। খারাপ কোলেস্টরলের (LDL) মাত্রা বেশি থাকে। 40-75 বছরের ব্যক্তি যাঁদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। যাঁদের ডায়বিটিস অথবা হার্টের রোগ থাকে। রক্তে বর্ধিত কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। আপনার বয়স, স্বাস্থ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, হৃদরোগ বা স্ট্রোকের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে আপনার চিকিৎসক আপনার জন্য নির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেবেন। ওষুধের মধ্যে থাকে: বর্ধিত কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাধারণত স্ট্যাটিন ব্যবহার করা হয়। যকৃতে কোলেস্টরলের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় স্ট্যাটিন। যকৃতের ওপর PCSK9 (Proprotein convertase subtilisin/kexin type 9) ইনহিবিটরের মত ওষুধ ভাল কাজ করে এবং রক্ত LDL মুক্ত করতে যকৃতকে সাহায্য করে। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতেও এই ওষুধ সাহায্য করে। বাইল অ্যাসিড সিকোয়েসট্র্যান্ট (খাদ্যে গুণমান বাড়ায়) বাইল অ্যাসিডের ওপর প্রতিক্রিয়া করে রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। নিয়াসিন (ভাইটামিনB3 বা নিকোটিনিক অ্যাসিড) LDL ( খারাপ কোলেস্টরল) কমায় এবং HDL ( ভাল কোলেস্টরল) বাড়ায়। ফাইব্রেটস রক্ত খুব কম-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন (VLDL) থেকে মুক্ত করে। তারা HDL মাত্রাও বাড়ায়। যাই হোক, যখন স্ট্যাটিনের সঙ্গে একযোগে ব্যবহার হয় তখন ফাইব্রেটস পেশির সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। খাদ্য থেকে কোলেস্টরল শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এজাটিমিব। যকৃত থেকে VLDL কোলেস্টরল ক্ষরিত হয়ে রক্তে মিশতে বাধার সৃষ্টি করে লোমিটাপাইড এবং মাইপোমার্সেন। জিনের কারণে যাঁদের শরীরে কোলেস্টরলের মাত্রা বেশি তাঁদের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। শরীরের বাইরে একটি পরিষ্করণ যন্ত্র বসিয়ে রক্তকে খারাপ কোলেস্টরল মুক্ত করার পদ্ধতি হল লাইপোপ্রোটিন অ্যাফেরেসিস। সাধারণত যাঁদের শরীরে বংশানুক্রমিকভাবে কোনও সমস্যার জন্য উচ্চ কোলেস্টরল মাত্রা থাকে তাঁদের জন্য এই চিকিৎসার ব্যবস্থাকরা হয়।