1 Answers

হারপিসের ভাইরাসের ধরনের ওপর উপসর্গ নির্ভর করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হারপিস আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে কোনও উপসর্গ দেখা যায় না এবং বেশিরভাগ HSV আক্রান্ত ব্যক্তি জানতেই পারেন না যে তাঁরা হারপিস ভাইরাসে আক্রান্ত। HSV-1 মুখে হারপিস মুখে যদি হারপিস হয় তার উপসর্গ যন্ত্রণাদায়ক ক্ষত বা ঘা বা আলসার বা মুখের ভিতরে এবং চারপাশে আলসার। যখন এই ক্ষতগুলি ঠোঁটের ওপরে বা চারপাশে দেখা যায় তখন সেগুলিকে সাধারণত কোল্ড সোর বলা হয়। ক্ষত বার হওয়ার আগে আক্রান্ত ব্যক্তি ওই জায়গায় ঝনঝনে ব্যাথা, চুলকানি, বা জ্বালা অনুভব করেন। প্রথমবারের পর আবার পরে ক্ষত দেখা দিতে পারে। কতবার তা বার হবে তা মানুষে মানুষে পার্থক্য থাকে। ( আরও পড়ুন - মুখের আলসার এবং তার চিকিৎসা) যৌনাঙ্গে হারপিস যৌনাঙ্গে হারপিসের উপসর্গ থাকতে পারে, নাও থাকতে পারে। যদি উপসর্গ দেখা যায়, তখন তা বোঝা যায় যৌনাঙ্গে একটি বা ততোধিক ক্ষত বা ঘা বা আলসার বেরোলে। যখন HSV-1 -এর আক্রমণ হয় তখন যৌনাঙ্গে হারপিস বারবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। HSV-2 যৌনাঙ্গে সংক্রমণের জন্য দায়ী HSV-2, যার কোনও উপসর্গ দেখা যায় না বা এমন উপসর্গ দেখা যায় যা বোঝা যায় না এবং বহু মানুষই সেদিকে নজর দেন না। প্রায় 10 থেকে 20% মানুষ যাঁরা HSV-2 ভাইরাসে আক্রান্ত জানান, যে তাঁরা আগেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। HSV-2 তে আক্রান্ত হয়ে যখন যৌনাঙ্গে সংক্রমণ হয় তখন উপসর্গ হিসাবে যৌনাঙ্গে এক বা একাধিক ফোড়া বা ক্ষত বা আলসার দেখা যায়। HSV-2 তে আক্রান্ত ব্যক্তিরা উপসর্গ বার হওয়ার আগে পা, কোমর, এবং পশ্চাদ্দেশে হাল্কা ঝনঝনে ব্যাথা বা একটি তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করতে পারেন। যখন প্রথমবার সংক্রমণ হয় তখন তার সঙ্গে জ্বর, শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে, এবং লিম্ফ নোড ফুলে যেতে পারে। সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ের পর ভাইরাস সক্রিয় উঠলে ফের সংক্রমণ দেখা দেবে কিন্তু প্রথমবারের চেয়ে উপসর্গের তীব্রতা কম হবে।  প্রথম বছর সংক্রমণের হার বেশি থাকে, পরে ধীরে ধীরে তা কমতে দেখা যায়। এর কারণ হল, শরীরের মধ্যে ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধী ক্ষমতা গড়ে ওঠা।

9985 views