1 Answers
অবিলম্বে স্বস্তির জন্য আপনার চিকিৎসক হয়তো জোলাপ সুপারিশ করতে পারেন। এই জোলাপ মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসার জন্য সাহায্য করতে পারে কিন্তু কখনই অসুখের প্রকৃত কারণ নির্ণয় করে নিরাময় করে না। বেশি পরিমাণে জোলাপ ব্যবহার করলে বহু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং দীর্ঘ ব্যবহারে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তাঁরা খুব স্বাভাবিকভাবেই বেশি পরিমাণে জোলাপ ব্যবহার করেন, যা থেকে বিভিন্ন প্রকারের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাঁদের পেটের সমস্যা আছে তাঁরা একটানা জোলাপ খেয়ে গেলে তার ফল খুবই ক্ষতিকর হতে পারে এবং পরিপাক তন্ত্রের আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কাজেই স্বস্তির উদ্দেশে ওষুধের দোকান থেকে সরাসরি জোলাপ কিনলে তা সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত। যদি জোলাপ খাওয়ার পর কোনও ব্যক্তির নিম্নলিখিত উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত: মলত্যাগের সময়.রক্তপাত। নাক থেকে রক্তক্ষরণ। পেটের ব্যাথা বমিভাব পেট পরিষ্কারে পরিবর্তন। দুর্বলতা। . কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসার জন্য ওষুধের দোকানে একাধিক রকমের জোলাপ পাওয়া যায়। মুখ দিয়ে বা ওরাল অসমটিক এজেন্ট গ্রহণ করলে কোলনে জল প্রবেশ করায় মলত্যাগে সুবিধা হয়। ওরাল বাল্ক ফর্মার বিপরীতভাবে কাজ করে অর্থাৎ জল শুঁষে নেয় বলে মলে জলীয়ভাব কমে যাওয়ায় ঠিকঠাক নির্গত হয়। অন্যান্য জোলাপের মধ্যে আছে ওরাল স্টুল সফেনার এবং ওরাল স্টিমুল্যান্ট। মুখ দিয়ে যে জোলাপ গ্রহণ করা হয় তা শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপকে প্রভাবিত করায় কিছু পুষ্টি এবং ওষুধ শরীরে মিশতে পারে না। কিছু জোলাপ ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বিঘ্নিত করে। এই জোলাপ গ্রহণের আগে ওপরের লেবেল পড়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত: পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী। ওষুধের প্রতিক্রিয়া। স্বাস্থ্য পরিস্থিতি কেমন, ডায়বিটিস, কিডনির সমস্যা আছে কিনা, বা অন্তঃসত্ত্বা কিনা। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ছয় বছরের নিচে কোনও শিশুকে কখনও জোলাপ দেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসকেরা সুপারিশ করেন, খাদ্যাভ্যাস এবং খাদ্য তালিকার দিকে নজর রাখতে হবে এবং সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূরে রাখতে হবে।যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা গভীর হয় এবং সময়ের সঙ্গে খারাপ হয়, তাহলে চিকিৎসক পষথক ওষুধ নেওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন। যদি কোথাও কোনও বাধার সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নিরাময়ের সুপারিশ করতে পারেন।