1 Answers

হামের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই এবং অবস্থা সাধারণত 7-10 দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হতে থাকে। ওষুধ যা প্রয়োগ করা হয় তা সাধারণ উপশমের উপশমের কারণে দেওয়া হয়, অর্থাৎ, সিমপমেটিক থেরাপি। যাঁরা আক্রান্ত হন তাঁদের বাড়িতে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়, হামের গুটি বার হওয়ার পর অন্তত চারদিন স্কুল, কলেজ, বাড়ির বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। যাঁদের সহজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যেমন শিশু এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, তাঁদের সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ না করা বিধেয়। সিমপমেটিক চিকিৎসার মধ্যে আছে: জ্বরের নিয়ন্ত্রণ জ্বর কমানো এবং শরীরের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসক প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন প্রয়োগের পরামর্শ দিতে পারেন।. শরীরে জলের পরিমাণ বাড়ানো (হাইড্রেশন) প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া প্রয়োজন যাতে জ্বরের সময় শরীরে জলের অভাব না হয়ে ডিহাইড্রেশন-এর আশঙ্কা না হয়। কাশির জন্য গলায় ব‍্যথা হলে প্রভূত পরিমাণে পানীয় নিলে আরাম বোধ হয়। চোখের যত্ন চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং চোখের পাতা বা চোখের ওপরে লোমের তলায় কিছু উঠতে দেখা গেলে তা জলে ভিজিয়ে পরিষ্কার তুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। যদি কড়া আলোয় চোখ ব্যাথা করে তাহলে কম আলো এবং পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। কাশি এবং ঠান্ডা লাগা যদি হামের সঙ্গে ঠান্ডা লাগা এবং কাশি হয়, আপনার চিকিৎসক সামগ্রিক পরিস্থিতির চিকিৎসা করাতে নির্দিষ্ট ওষুধ প্রয়োগ করবেন। জলের বাষ্প শ্বাস নিলে এবং উষ্ণ জল পান করলে মিউকাস নরম হয়ে আরাম দেয়। অন্যান্য পদক্ষেপ উপসর্গের দিকে নজর রাখুন, যেমন শ্বাসকষ্ট,  রক্তবমি, ঝিমঝিম করা, কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা এবং তড়কা। এর মধ্যে কোনও উপসর্গের আভাস পেলে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করুন বা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। 

7140 views Answered

Next steps