1 Answers
১। প্রস্রাব রক্তঃ রক্তাক্ত প্রস্রাব এর ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ক্যান্সার হয়। এটি রোগের সূত্রপাত অথবা একটি কেস হয়ে আবির্ভূত হতে পারে। অনেক রোগীদের রক্তে clots প্রস্রাব বা খোলসের মত টিস্যু থাকতে পারে। ২। মূত্রস্থলী এর জ্বালাঃ রোগীর ফ্রিকোয়েন্সি এবং প্রস্রাব এর চাড় বেশি হলে trigonum vesicae হয়, যা সংক্রমণের হার বাড়িয়ে দেয়। ৩। ইউরিনারি বাধাঃ vesicae গলদেশ এবং রক্ত clots এ অবস্থিত টিউমারের ড্রিবল, মূত্রত্যাগ এমনকি বা প্রস্রাব ধরে রাখার ক্ষমতা কমে গেলে। মূত্রাধার বিস্তার হলে,ureterostoma এর ফলে ব্লকেজ হলে টিউমারে অনুপ্রবেশ কটিদেশীয় ব্যথা অনুভূত হলে, hydronephrosis এবং কিডনির ক্ষতি হবার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। ৪। মেটাস্টাসিসঃ মূত্রস্থলী যন্ত্রনা, urethrovaginal ভগন্দর, পা এর ফুলা ইত্যাদি দেখা গেলে বা মূত্রাশয় এবং শ্রোণী লিম্ফ নোডস বা লসিকা কাছাকাছি বা অঙ্গের উপর encroaches দেখা দিলে।