2 Answers

গ্যাস ক্রোমেটোগ্রাফি (GC) হচ্ছে কোন মিশ্রণের উপাদানগুলােকে পৃথক করে শনাক্তকরণ ও পরিমাণ নির্ণয়ের একটি পদ্ধতি। এটি একটি বাণিজ্যিক গ্যাস ক্রোমেটোগ্রাফ যন্ত্রে করা হয়। গ্যাস ক্রোমেটোগ্রাফিতে একটি বাহক গ্যাসকে (সাধারণত নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা N2) মােবাইল ফেজ হিসেবে এবং একটি স্তম্ভকে স্থির ফেজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করতে হবে তাকে দ্রবণে নিয়ে একটি মাইক্রোসিরিঞ্জ দিয়ে কলামের মাথায় ইনজেক্ট করা হয়। ফলে বস্তুটি গঠন অনুসারে কলামের কঠিন অধিশােষকে বিভিন্ন মাত্রায় অধিশােষিত হয়। এর পর এর ভেতর দিয়ে একটি বাহক গ্যাস (He বা N2) চালনা করা হয়। বাহক গ্যাস বস্তুটিকে দ্রবণ থেকে বহন করে কলামের মধ্য দিয়ে টেনে নেবে। এতে বিভিন্ন বস্তু বিভিন্ন বেগে কলাম থেকে নির্গম পথে বের হয় যা ডিটেকটরে সিগনাল আকারে ধরা পড়ে। নির্গমন মুখে পৌছাতে প্রতিটি উপাদানের যে সময় লাগে তাকে ধারণ সময় (retention time) বলে। এ ধারণ সময় ও ডিটেকটার সিগনালের peak area এর সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান শনাক্ত ও পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।

6700 views Answered

গ্যাস ক্রোমেটোগ্রাফি (GC) হচ্ছে কোন মিশ্রণের উপাদানগুলােকে পৃথক করে শনাক্তকরণ ও পরিমাণ নির্ণয়ের একটি পদ্ধতি। এটি একটি বাণিজ্যিক গ্যাস ক্রোমেটোগ্রাফ যন্ত্রে করা হয়। গ্যাস ক্রোমেটোগ্রাফিতে একটি বাহক গ্যাসকে (সাধারণত নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা N2) মােবাইল ফেজ হিসেবে এবং একটি স্তম্ভকে স্থির ফেজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করতে হবে তাকে দ্রবণে নিয়ে একটি মাইক্রোসিরিঞ্জ দিয়ে কলামের মাথায় ইনজেক্ট করা হয়। ফলে বস্তুটি গঠন অনুসারে কলামের কঠিন অধিশােষকে বিভিন্ন মাত্রায় অধিশােষিত হয়। এর পর এর ভেতর দিয়ে একটি বাহক গ্যাস (He বা N2) চালনা করা হয়। বাহক গ্যাস বস্তুটিকে দ্রবণ থেকে বহন করে কলামের মধ্য দিয়ে টেনে নেবে। এতে বিভিন্ন বস্তু বিভিন্ন বেগে কলাম থেকে নির্গম পথে বের হয় যা ডিটেকটরে সিগনাল আকারে ধরা পড়ে। নির্গমন মুখে পৌছাতে প্রতিটি উপাদানের যে সময় লাগে তাকে ধারণ সময় (retention time) বলে। এ ধারণ সময় ও ডিটেকটার সিগনালের peak area এর সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান শনাক্ত ও পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।

6700 views Answered

Next steps