4 Answers
কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে সহজেই দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায়- ১. প্রতিদিন অন্তত ২ বার দাঁত ব্রাশ করা উচিৎ। কিন্তু অনেকেই আলসেমি করে রাতের বেলা দাঁত ব্রাশ করতে চান না। কিন্তু রাতের বেলাই জীবাণুর আক্রমণে দাঁতের ক্ষয় বেশি হয়। সুতরাং কোনোভাবেই রাতে দাঁত ব্রাশ বাদ দেয়া যাবে না। ২. অনেকেই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করার পরও দাঁতের ক্ষয় রোগে ভোগেন। এর কারণ হলো ঠিকমত দাঁত ব্রাশ না করা। অনেকেই ভুলে পাশাপাশি দাঁতের ওপর ব্রাশ ঘষে থাকেন। দাঁত ব্রাশের সঠিক নিয়ম হলো উপর থেকে নিচের দিকে ব্রাশ করা। ৩. আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষই দাঁত ব্রাশ করার পর মাউথওয়াস ব্যবহার করেন না। মনে করেন দাঁত ব্রাশ করলেই চলবে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ দাঁতের সুরক্ষার জন্য অবশ্যই মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিৎ। ৪. ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার দাঁতের ওপরে প্রতিরক্ষা পর্দা তৈরি করে। এতে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় মাছ, শাক-সবজি, দুধ রাখুন। এবং খাবার পর অবশ্যই পানি খাবেন।
নিয়মিত পেঁয়াজ দেয়া খাবার খেলে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। দাঁতের ক্ষয়ে ব্যাথা হলে একটি পেঁয়াজের স্লাইস আক্রান্ত দাতের উপর চেপে রাখুন। ব্যাথা কমে যাবে। এছাড়া ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান তাহলে দাতের ক্ষয়রোধ বন্ধ হবে!এছাড়া আপনার শরীলের বিভিন্ন উপকার হবে!যেমন মাড়ি ফোলা,দাত দিয়ে রক্ত ঝরা,হাতের চামড়া ওঠে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যার উপকার করবে ভিটামিন সি!
কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে সহজেই দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায়- ১. প্রতিদিন অন্তত ২ বার দাঁত ব্রাশ করা উচিৎ। কিন্তু অনেকেই আলসেমি করে রাতের বেলা দাঁত ব্রাশ করতে চান না। কিন্তু রাতের বেলাই জীবাণুর আক্রমণে দাঁতের ক্ষয় বেশি হয়। সুতরাং কোনোভাবেই রাতে দাঁত ব্রাশ বাদ দেয়া যাবে না। ২. অনেকেই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করার পরও দাঁতের ক্ষয় রোগে ভোগেন। এর কারণ হলো ঠিকমত দাঁত ব্রাশ না করা। অনেকেই ভুলে পাশাপাশি দাঁতের ওপর ব্রাশ ঘষে থাকেন। দাঁত ব্রাশের সঠিক নিয়ম হলো উপর থেকে নিচের দিকে ব্রাশ করা। ৩. আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষই দাঁত ব্রাশ করার পর মাউথওয়াস ব্যবহার করেন না। মনে করেন দাঁত ব্রাশ করলেই চলবে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ দাঁতের সুরক্ষার জন্য অবশ্যই মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিৎ। ৪. ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার দাঁতের ওপরে প্রতিরক্ষা পর্দা তৈরি করে। এতে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় মাছ, শাক-সবজি, দুধ রাখুন। এবং খাবার পর অবশ্যই পানি খাবেন।