কিডনি রোগের লক্ষণ কি কি?

#স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
7349 views

3 Answers

কিডনী রোগের কিছু লক্ষন:  ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব নির্গমন, কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে কম প্রস্রাব নির্গমন, প্রস্রাবে ফেনা ভাব থাকা বা বুদ্ বুদ্ মতো দেখা দেয়া, প্রস্রাবের জরুরি বেগ থাকা সত্বেও না হওয়া, রক্ত যাওয়া, ইউরিন ইনফেকশন বেড়ে যাওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া মুখে, পায়ে, পায়ের পাতা, হাঁটু, হাতে ফোলা ভাব হওয়া, কিডনীর কম কার্যকারিতার জন্য শরীরের বর্জ্য বের হতে না পারলে ত্বকে চুলকানো বেড়ে যায়।  ব্রনের প্রকোপ হয়। মুখে গন্ধ হওয়া, রুচি কমে ওজন হ্রাস পাওয়া মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করে না, মনোযোগ থাকে না, মাথা ঘোরা, স্মৃতিভ্রংশ দেখা দেয় কোমরে ব্যথা (কিডনীর আশেপাশে) হতে পারে যদিও এটা খুব কম হয়। রক্তে বিষাক্ত বর্জ্য uremia ‘র কারনে বমি ভাব হওয়া ফুসফুসে তরল জমার কারনে এবং লৌহ লাল রক্ত কণিকা কমে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট হয়, রক্তশুন্যতার কারনে সর্বদা ঠান্ডা অনুভুত হওয়া এমনকি গরমের সময়ও ঠান্ডা লাগা।

7349 views Answered

কিডনী রোগের কিছু লক্ষন:  ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব নির্গমন, কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে কম প্রস্রাব নির্গমন, প্রস্রাবে ফেনা ভাব থাকা বা বুদ্ বুদ্ মতো দেখা দেয়া, প্রস্রাবের জরুরি বেগ থাকা সত্বেও না হওয়া, রক্ত যাওয়া, ইউরিন ইনফেকশন বেড়ে যাওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া মুখে, পায়ে, পায়ের পাতা, হাঁটু, হাতে ফোলা ভাব হওয়া, কিডনীর কম কার্যকারিতার জন্য শরীরের বর্জ্য বের হতে না পারলে ত্বকে চুলকানো বেড়ে যায়।  ব্রনের প্রকোপ হয়। মুখে গন্ধ হওয়া, রুচি কমে ওজন হ্রাস পাওয়া মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করে না, মনোযোগ থাকে না, মাথা ঘোরা, স্মৃতিভ্রংশ দেখা দেয় কোমরে ব্যথা (কিডনীর আশেপাশে) হতে পারে যদিও এটা খুব কম হয়। রক্তে বিষাক্ত বর্জ্য uremia ‘র কারনে বমি ভাব হওয়া ফুসফুসে তরল জমার কারনে এবং লৌহ লাল রক্ত কণিকা কমে যাওয়ার কারনে শ্বাসকষ্ট হয়, রক্তশুন্যতার কারনে সর্বদা ঠান্ডা অনুভুত হওয়া এমনকি গরমের সময়ও ঠান্ডা লাগা।

7349 views Answered

কিডনি দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। কিডনি রোগ খুব নীরবে শরীরের ক্ষতি করে। খুব জটিল অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত লক্ষণগুলো ভালোভাবে প্রকাশও পায় না। তাই কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখা জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে কিডনি রোগের লক্ষণগুলোর কথা। ১. প্রস্রাবে পরিবর্তন কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না। ২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে। ৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ। ৪. দেহে ফোলা ভাব কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে। ৫. মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়। ৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে। ৭. ত্বকে র‍্যাশ হওয়া কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র‍্যাশ তৈরি করতে পারে। ৮. বমি বা বমি বমি ভাব রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে। ৯. ছোটো ছোটো শ্বাস কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন। ১০. পেছনে ব্যথা কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।

7349 views Answered

Next steps