3 Answers
মেরুদণ্ড আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি করে এবং দেহের উপরের অংশ ও মাথার ভার বহন করে। মেরুদণ্ডের সাহায্যে আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াতে, বসতে পারি এবং হাঁটতে পারি। শরীরের ভারসাম্য রক্ষা মেরুদণ্ড মূল ভূমিকা পালন করে। মেরুদণ্ড শরীরের flexible movement করতে যেমন সামনে ঝুঁকতে, পিছনে এবং দুইপাশে কাত হতে সাহায্য করে। তাছাড়া মেরুদণ্ডের ভেতর স্পাইনাল কর্ড (ঝঢ়রহধষ পড়ৎফ), মস্তিষ্ক (ইৎধরহ) থেকে বৈদ্যুতিক সংকেত প্রেরণ করে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে। দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ড ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অবশ্যই পুনরায় সুস্থ হওয়া সম্ভব। তবে কতটা সুস্থ হবে সেটা নির্ভর করে আঘাতটা মেরুদণ্ডের কতখানি ক্ষতি করেছে।
মেরুদণ্ড আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি করে এবং দেহের উপরের অংশ ও মাথার ভার বহন করে। মেরুদণ্ডের সাহায্যে আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াতে, বসতে পারি এবং হাঁটতে পারি। শরীরের ভারসাম্য রক্ষা মেরুদণ্ড মূল ভূমিকা পালন করে। মেরুদণ্ড শরীরের flexible movement করতে যেমন সামনে ঝুঁকতে, পিছনে এবং দুইপাশে কাত হতে সাহায্য করে। তাছাড়া মেরুদণ্ডের ভেতর স্পাইনাল কর্ড (ঝঢ়রহধষ পড়ৎফ), মস্তিষ্ক (ইৎধরহ) থেকে বৈদ্যুতিক সংকেত প্রেরণ করে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে। দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ড ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অবশ্যই পুনরায় সুস্থ হওয়া সম্ভব। তবে কতটা সুস্থ হবে সেটা নির্ভর করে আঘাতটা মেরুদণ্ডের কতখানি ক্ষতি করেছে।
মেরুদণ্ড আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি করে এবং দেহের উপরের অংশ ও মাথার ভার বহন করে। মেরুদণ্ডের সাহায্যে আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াতে, বসতে পারি এবং হাঁটতে পারি। শরীরের ভারসাম্য রক্ষা মেরুদণ্ড মূল ভূমিকা পালন করে। মেরুদণ্ড শরীরের flexible movement করতে যেমন সামনে ঝুঁকতে, পিছনে এবং দুইপাশে কাত হতে সাহায্য করে। তাছাড়া মেরুদণ্ডের ভেতর স্পাইনাল কর্ড (ঝঢ়রহধষ পড়ৎফ), মস্তিষ্ক (ইৎধরহ) থেকে বৈদ্যুতিক সংকেত প্রেরণ করে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে। দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ড ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অবশ্যই পুনরায় সুস্থ হওয়া সম্ভব। তবে কতটা সুস্থ হবে সেটা নির্ভর করে আঘাতটা মেরুদণ্ডের কতখানি ক্ষতি করেছে। (সংগৃহীত)