1 Answers
- সারাদিনের মােট ওষুধ সেবনের মাত্রা একবারে সেবন করা জরুরী।
- খাবারের পূর্বে বা পরে এ ওষুধ সেবন করা যায়। নিম্ন মূত্র এবং জননেন্দ্রীয় নালীর শীর্ণতার ক্ষেত্রে: ১ম সপ্তাহগুলােতে প্রতিদিন ৪-৮ মি.গ্রা. করে এর পর লক্ষণ সমূহের বিবেচনায় ধীরে ধীরে কমবে, যতদিন ওষুধের সেবন মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রায় (যেমন- ১-২ মি.গ্রা. করে প্রতিদিন) না পৌঁছায়।
- অস্ত্রোপচারের পূর্বে এবং পরে মেনােপােজ পরবর্তীকালীন মহিলা যাদের ভ্যাজিনাল অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারের ২ সপ্তাহ পূর্ব থেকে দিনে ৪-৮ মি.গ্রা. করে এবং পরবর্তী ২ সপ্তাহে দৈনিক ১-২ মি.গ্রা. করে।
- ক্লাইমেট্রিক সিমটম যেমন- হট ফ্লাশ এবং রাতে ঘামা ১ম সপ্তাহগুলােতে ৪-৮ মি.গ্রা. করে এবং ধীরে ধীরে মাত্রা কমবে।
- মেইনটেইনেন্স থেরাপির জন্য ওষুধের সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করতে হবে।
- অনিশ্চিত গ্রীবাসমন্ধীয় সেরামের ক্ষেত্রে রােগ নির্ণয় সহায়ক হিসেবে। পরবর্তী স্মিয়ারের ৭ দিন পূর্ব থেকে দৈনিক ২-৪ মি.গ্রা. করে।
- গ্রীবাসমন্ধীয় সমস্যাজনিত বন্ধ্যাত্ব সাধারণভাবে রজঃচক্রের ৬-১৫ দিন দৈনিক ১-২ মি.গ্রা. করে। কারাে কারাে ক্ষেত্রে দৈনিক ১ মি.গ্রা. মাত্রাই যথেষ্ট। আর কারাে কারাে জন্য দৈনিক ৮ মি.গ্রা. পর্যন্ত প্রয়ােজন হতে পারে। সে কারনে প্রতি মাসেই ওষুধের মাত্রা বাড়াতে হয় যতদিন পর্যন্ত সার্ভাইকাল মিউকাসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রভাব পরিলক্ষিত না হয়।
এরকম নির্দেশনা রয়েছে যে, এট্রায়ল সহকারে কিছুসংখ্যক করটিকোস্টেরয়েডস এর ফার্মাকোলজিক ইফেক্ট-কে বাড়িয়ে দেয়। প্রয়ােজন হলে করিটিকোস্টেরয়েডস এর মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য এসট্রোজেন এবং মুখে ব্যবহৃত জন্ম নিরােধক বড়ি এর ক্ষেত্রে নির্দেশনা পাওয়া গেছে যে একটিভেটেড চারকোল, বারবিচুরেটস, হাইডানটোইনস এবং রিফামপিসিন এন্ট্রায়ল এর কার্যমতা কমিয়ে দিতে পারে।
ফিমাস্টিন ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে ফিমাস্টিন
1607 views
Answered