1 Answers

  • মাইগ্রেন প্রতিরােধে: প্রারম্ভিক মাত্রা: ৬৫ বছরের নিম্নোর্ধ রােগীর ক্ষেত্রে ১০ মি.গ্রা. এবং ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে রােগীদের ক্ষেত্রে ৫ মি.গ্রা. করে প্রতি রাতে। 
  • চিকিৎসা চলাকালীন বিষন্নতা, এক্সট্রা পিরামিডাল ও অন্য অনাকাঙ্খিত উপসর্গ দেখা দিলে প্রয়ােগ বন্ধ করতে হবে। 
  • প্রয়ােগের ২ মাসের মধ্যে কোন উন্নতি না হলে রােগীকে প্রতিক্রিয়াহীন বিবেচিত করতে হবে এবং প্রয়ােগ বন্ধ করতে হবে। 
  • অব্যহত চিকিৎসা: যদি রােগী সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং যদি অব্যহত চিকিৎসা প্রয়ােজন হয় তবে পরপর ৫ দিন নির্ধারিত মাত্রা প্রয়ােগের পর পরপর ২ দিন ওষুধ সেবন বন্ধ রাখতে হবে। যদি এ চিকিৎসা কার্যকর হয় তারপরও ৬ মাস পর এটি বন্ধ করে দেয়া উচিত এবং যদি রােগী পুনরায় আক্রান্ত হয় তখন প্রয়ােগ করা উচিত। 
  • পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিস্: ১০ মি.গ্রা. করে দিনে ২ বার প্রয়ােজনে সর্বোচ্চ ৩০ মি.গ্রা.। 
  • মাথাঘােরা এবং ভ্রমণজনিত অসুস্থতায়: ১০-২০ মি.গ্রা. প্রতিদিন (প্রাপ্ত বয়স্ক) এবং ৫ মিগ্রা, প্রতি দিন ৪০ কেজির উর্ধ্বে শিশুদের ক্ষেত্রে। 
  • মৃগীজনিত খিচুনি: প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ১৫-২০ মি.গ্রা. এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ৫-১০ মি.গ্রা. প্রতিদিন সংযােজিত চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

 

 

যে সব মহিলা জন্ম বিরতিকরণ ওষুধ সেবন করছেন তাদের ক্ষেত্রে ফ্লনারিজিন চিকিৎসার প্রথম ২ মাসের ভিতর গ্যালাকটোরিয়া দেখা দিতে পারে। যকৃতের উৎসেচক বৃদ্ধিকারী ওষুধ যেমন- কার্বামাজেপিন এবং ফিনাইটয়েন ফ্লুনারিজিন এর বিপাক বৃদ্ধি করতে পারে। তাই এক্ষেত্রে অতিরিক্ত মাত্রা নির্দেশিত। 

মিগন ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে মিগন

1607 views