1 Answers

  • ইব্রাডিন এর প্রারম্ভিক মাত্রা ৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেট দৈনিক ২ বার যা পরবর্তীতে ৩-৪ সপ্তাহ চিকিৎসার পর বৃদ্ধি করে ৭.৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেটদৈনিক ২ বার করে দেয়া যেতে পারে। 
  • ইব্রাডিন এর স্বাভাবিক মাত্রা হল একটি করে ট্যাবলেট দিনে ২ বার সকালে ও রাতে খাবার সময়। 
  • যদি বিশ্রামরত অবস্থায় হৃদস্পন্দনের হার ৫০ বি পি এম এর নিচে নেমে যায় বা ব্রাডিকার্ডিয়া সম্পর্কিত উপসর্গ দেখা দেয় তখন এর মাত্রা কমিয়ে ২.৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেট দৈনিক ২ বার (৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেটের অর্ধেক দৈনিক ২ বার) এ নিয়ে আসতে হবে। যদি হৃদস্পন্দনের হার ৫০ বি পি এম এর নিচে থাকে অথবা ব্রাডিকার্ডিয়ার উপসর্গ অক্ষুন্ন থাকে তবে চিকিৎসা বন্ধ রাখতে হবে। 
  • বয়ঃবৃদ্ধ: নিম্ন মাত্রা বিবেচনা করতে হবে (২.৫ মি.গ্রা. দৈনিক ২ বার)। 
  • বৃক্কীয় অপর্যাপ্ততা: যে সব রােগীদের ক্রিয়াটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১৫ মি.লি./মিনিট এর কম তাদের ক্ষেত্রে সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। 
  • যকৃতের বিকলতা: মাঝারী ধরনের বিকলতার ক্ষেত্রে সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। 
  • তীব্র বিকলতার ক্ষেত্রে এটি প্রতিনির্দেশিত। 
  • শিশু ও কিশােরদের ক্ষেত্রে: নির্দেশিত নয়। 

 

Renal insufficiency: Use with caution in patients with creatinine clearance 

Hepatic impairment: Use with caution in patients with moderate hepatic impairment; Contraindicated in severe hepatic impairment.

যে সব ওষুধ QT- ওয়েভ প্রলম্বিত করে তাদের ব্যবহার নির্দেশিত নয়। কার্ডিওভাসকুলার QT- ওয়েভ প্রলম্বনকারী ওষুধ (যেমন- কুইনিডিন, ডাইসােপাইরামাইড, বেপ্রিডিল, সােটালল, ইবুটিলাইড, এমিওডারন)। ননকার্ডিওভাসকুলার QT- ওয়েভ প্রলম্বনকারী ওষুধ (যেমন- পিমােজাইড, জিপ্রসিডােন, সারটিনডােল, সেফললাকুইন, হ্যালােফেনট্রিন, পেনটামিডিন, সিসাইড, আইভি ইরাইথ্রোমাইসিন) ইব্রাডিন এর সাথে কার্ডিওভাসকুলার ও ননকার্ডিওভাসকুলার QT- ওয়েভ প্রলম্বনকারী ওষুধ এর ব্যবহার পরিহার করতে হবে কারন হৃদস্পন্দনের হার কমার কারনে QT- ওয়েভ প্রলম্বন খারাপের দিকে যেতে পারে। 

ইভানর ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে ইভানর

1606 views