1 Answers

  • লিভােথাইরক্সিন সােডিয়াম প্রত্যহ দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিশেষ করে সকালের নাস্তার এক থেকে আধা ঘন্টা আগে একক মাত্রায় খাওয়া হয়। 
  • লিভােথাইরক্সিন সােডিয়াম ট্যাবলেট যেসব নবজাতক ও শিশু গলধঃকরণ করতে পারে না তাদেরকে ট্যাবলেটটি গুড়া করে অল্প পরিমান (৫ - ১০ মি.লি বা ১ - ২ চা চামচ) পানিতে মিশিয়ে খাওয়ানাে যায়। 
  • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে : হাইপােথাইরয়েডিজমে প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রারম্ভিক মাত্রা ৫০ - ১০০ মাইক্রোগ্রাম প্রতিদিন একবার। 
  • থাইরয়েড ঘাটতি সংশােধন এবং মেইনটেনেন্স ডােজ অর্জন না হওয়া পর্যন্ত থাইরােলার এর মাত্রা ২৫ - ৫০ মাইক্রোগ্রাম করে প্রতি ৪ সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়ানাে যেতে পারে। 
  • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে মেইনটেনেন্স ডােজ সাধারণত প্রতিদিন ১০০ - ২০০ মাইক্রোগ্রাম। 
  • বয়স্ক রােগীদের ক্ষেত্রে যাদের হৃদরােগ আছে অথবা যাদের দীর্ঘ মেয়াদী মারাত্মক হাইপােথাইরয়েডিজম আছে তাদের প্রারম্ভিক মাত্রা ১২.৫ - ২৫ মাইক্রোগ্রাম প্রতিদিন যা ১২.৫ - ২৫ মাইক্রোগ্রাম করে ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে ধাপে ধাপে বাড়ানাে যেতে পারে। 
  • শিশুদের ক্ষেত্রে : শিশুদের লিভভাথাইরক্সিন চিকিৎসা যত শীঘ্র সম্ভব পূর্ণভাবে প্রতিস্থাপন করতে হবে এবং এর মাত্রা শরীরের ওজন অনুযায়ী নির্দেশিত যা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে হ্রাস পায়। 
  • বয়সদেহের ওজন অনুযায়ী -

দৈনিক মাত্রা ০ - ৩ মাস।

দৈনিক ১০ - ১৫ মাইক্রোগ্রাম / কেজি। ৩ - ৬ মাস।

দৈনিক ৮ - ১০ মাইক্রোগ্রাম / কেজি ৬ - ১২ মাস

দৈনিক ৬ - ৮ মাইক্রোগ্রাম / কেজি ১ - ৫ বছর

দৈনিক ৫ - ৬ মাইক্রোগ্রাম / কেজি ৬ - ১২ বছর

দৈনিক ৪ - ৫ মাইক্রোগ্রাম / কেজি

  • ১২ বছরের ঊর্ধ্বে কিন্তু অসম্পূর্ণ বৃদ্ধি ও বয়ঃসন্ধি দৈনিক ২ - ৩ মাইক্রোগ্রাম / কেজি পরিপূর্ণ বৃদ্ধি ও বয়ঃসন্ধি দৈনিক ১.৭ মাইক্রোগ্রাম / কেজি সকল ক্ষেত্রে রােগীর শারীরিক অবস্থা ও ল্যাবরেটরী পরীক্ষার পরিমাপ অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করতে হবে। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য। 

 

 

ট্রাই/টেট্রাসাইক্লিক এ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট এবং লিভােথাইরক্সিনের একত্রে ব্যবহারে উভয় ওষুধের কার্যকারিতা এবং বিষক্রিয়া বেড়ে যেতে পারে। ক্যাটেকোলামাইনের প্রতি রিসেপ্টর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধিই এর সম্ভাব্য কারন। এর ফলে কার্ডিয়াক এ্যারিদমিয়া এবং সিএনএস স্টিমুলেশনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। লিভােথাইরক্সিন পাচ্ছে এমন রােগীর অ্যান্টিডায়াবেটিক বা ইনসুলিনের চাহিদাও বেশী থাকে। এজন্য বিশেষ সতর্কতার প্রয়ােজন। 

হাইপারথাইরয়েডিজম অথবা হাইপােথাইরয়েড রােগী ইউথাইরয়েডের অবস্থায় আসার ফলে রক্তে ডিজিটালিস গ্লাইকোসাইডের প্রভাব ক্ষুন্ন হয়।পর্শ্ব প্রতিক্রিয়া অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহারজনিত হাইপারথাইরয়েডিজমই মূলতঃ লিভােথাইরক্সিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত উপসর্গসমূহ দেখা দেয়। 

সাধারণ উপসর্গ: ক্লান্তি, ক্ষুধা বৃদ্ধি, ওজনহ্রাস, তাপ অসহনীয়তা, জ্বর, অতিরিক্ত ঘাম। 

স্নায়ু সম্বন্ধীয়: মাথা ব্যথা, হাইপার এ্যকটিভিটি, স্নায় দৌর্বল্য, দুশ্চিন্তা, অসহনীয়তা, অতিরিক্ত আবেগ, নিদ্রাহীনতা। পেশী ও কঙ্কালতন্ত্র: কাঁপুনী, পেশীর দুর্বলতা। 

রক্ত সংবহনতন্ত্র: বুক ধরফর করা, ট্যাকিকার্ডিয়া, এ্যরিদমিয়া, নাড়ির স্পন্দন এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি। 

শ্বসনতন্ত্র: শ্বাসকষ্ট। পরিপাকতন্ত্র: পাতলা পায়খানা, বমি, পেটব্যথা। 

ত্বক: চুলপড়া, ত্বক লালচে হওয়া। 

থাইরিন ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে থাইরিন

1611 views