1 Answers
প্রাপ্ত বয়স্ক : মেরোপেনেম ইন্ট্রাভেনাস ইঞ্জেকশন ধীরে ধীরে ৩-৫ মিনিট ধরে অথবা ইন্ট্রাভেনাস ইনফিউশনের মাধ্যমে ১৫-৩০ মিনিট ধরে সাধারণত ৫০০ মি.গ্রা. হতে ১ গ্রাম মাত্রায় প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর প্রয়োগ করতে হয়।
প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য দৈনিক নির্দেশিত মাত্রা :
১. ত্বকের সংক্রমণ : ৫০০ মি.গ্রা. আইভি প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
২. হসপিটাল এ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া, পেরিটোনাইটিস, সেপটিসেমিয়া, আন্দঃউদরীয় সংক্রমণ ও নিউট্রোপেনিক রোগীদের সংক্রমণে : ১ গ্রাম আইভি প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
৩. মেনিনজাইটিস ও সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগীদের নিশ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে : ২ গ্রাম আইভি প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।প্রাপ্ত বয়স্কদের বৃক্কীয় অকার্যকারিতায়যে সকল রোগীদের ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ার্সে ৫১ মিলি/মিনিট এর চেয়ে কম তাদের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে। ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স মাত্রা (সংক্রমণের ধরণের উপর নির্ভর করে) মাত্রা বিরতিকাল:
- ৫১ নির্দেশিত মাত্রা প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর
- ২৬-৫০ নির্দেশিত মাত্রা প্রতি ১২ ঘন্টা অন্তর
- ১০-২৫ নির্দেশিত মাত্রার অর্ধেক প্রতি ১২ ঘন্টা অন্তর
- ১০ নির্দেশিত মাত্রার অর্ধেক প্রতি ২৪ ঘন্টা অন্তর
যকৃতের অকার্যকারিতায় ব্যবহার: যকৃতের কার্যকারিতা কম হলেও প্রয়োগমাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
বয়োবৃদ্ধদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: যে সকল বয়োবৃদ্ধ রোগীর ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৫০ মি.লি এর চেয়ে বেশি তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগমাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: তিন মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা ও সহনীয়তা প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। ফলে এদের ক্ষেত্রে মেরোপেনেম নির্দেশিত নয়।
- ৩ মাস-১২ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে : ১০-২০ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
- ৫০ কেজির বেশি ওজনের শিশুদের ক্ষেত্রে : প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রয়োগমাত্রা।
- মেনিনজাইটিস: ৪০ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
- ৪-১৮ বছর বয়সী শিশু যাদের সিস্টিক ফাইব্রোসিস আছে: ২৫-৪০ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
শিশুদের ক্ষেত্রে বৃক্কের অকার্যকারিতায় ব্যবহারের কোন অভিজ্ঞতা নেই।
মেরোপেনেম ৫০০ মি.গ্রা. ভায়ালের পাউডার ১০ মি.লি ওয়াটার ফর ইনজেকশন এবং মেরোপেনেম ১ গ্রাম ভায়ালের পাউডার ২০ মি.লি ওয়াটার ফর ইনজেকশনের সহিত দ্রবীভূত করতে হবে। পাউডার দ্রবীভূত হওয়ার সময় কিছু কার্বণ-ডাই অক্সাইড মুক্ত হয় এবং কিছুটা উচ্চচাপ তৈরী হয়। ব্যবহারের সুবিধার জন্য নিম্নলিখিত উপায়ে সংমিশ্রণ করতে হবে:
স্টেপ ১ : ভায়াল উর্ধ্বমুখী রেখে ১০ মিলি বাতাস বের করে নিন।
স্টেপ ২ : নির্দেশমতো ধীরে ধীরে নির্দেশিত দ্রাবক যোগ করুন। এ সময় সিরিঞ্জ প্লাঞ্জার শক্ত করে চেপে রাখুন। দ্রাবক মেশানো শেষ হলে ভায়াল থেকে নিডেল বের করে নিন। পরিস্কার দ্রবণ পাওয়ার জন্য ভায়াল ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। এন্টিবায়োটিক দ্রবীভূত হওয়ার সময় কার্বণ ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয় যা খুব দ্রুত মিশে যায়।
স্টেপ ৩ : ভায়ালের ভিতর উচ্চচাপ তৈরী হবে। সিরিঞ্জ প্লাঞ্জারটি শক্ত করে ধরুন এবং উর্ধ্বমুখী ভায়াল থেকে আনুমানিক ১০ মিলি গ্যাস বের করে নিন।
স্টেপ ৪ : এবার মিশ্রিত দ্রবণসহ ভায়াল উল্টো করে ধরুন। খেয়াল রাখুন ভায়াল থেকে দ্রবণ সিরিঞ্জে প্রবেশের সময় নিডেলটি যেন সব সময়ই দ্রবণের ভিতরে থাকে।
স্টেপ ৫ : সিরিঞ্জে টোকা দিলে কার্বন ডাই অক্সাইড এর বুদ বুদ চলে যাবে, কার্বণ ডাই অক্সাইড তৈরী হওয়ার কারণে অল্প পরিমাণ বুদ বুদ শরীরে প্রবেশ করলেও ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই।
Renal Impairment:
- CrCl 105: Half the usual dose 12 hrly.
- CrCl 260: Usual dose 12 hrly.
Meropenem is cleared by haemodialysis; if continued treatment with Meropenem is necessary, it is recommended that the unit dose (based on the type and severity of infection) is administered at the completion of the haemodialysis procedure to restore therapeutically effective plasma concentrations. There is no experience with the use of Meropenem in patients under peritoneal dialysis.
Hepatic Impairment: No dosage adjustment needed.
এবাকাভির, ল্যামিভুডিন, জিডােভুডিন, বােন-ম্যারাে সাপ্রেসিভ অথ বা সাইটোটক্সিক এজেন্টস, স্টাভুডিন, ডক্সোরুবিসিন, রিবাভিরিন।
স্পেকব্যাক আইভি ইনজেকশন অর ইনফিউশন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে স্পেকব্যাক