1 Answers

  • উচ্চরক্তচাপ : প্রারম্ভিক মাত্রা ১০০ মি.গ্রা. প্রতিদিন, মেইনটেনেন্স ডােজ ১০০ - ২০০ মি.গ্রা. দিনে ১ - ২ বার বিভক্ত মাত্রায়। 
  • অ্যানজিনা পেকটোরিস : ৫০ - ১০০ মি.গ্রা. দিনে ২ -৩ বার। 
  • মায়ােকার্ডিয়াল ইনফার্কশন : প্রারম্ভিক চিকিৎসা : ৫০ মি.গ্রা. (শিরায় পূর্ণ মাত্রা সহ্য করতে সক্ষম রােগীদের জন্য) অথবা ২৫ - ৫০ মি.গ্রা. (শিরায় পূর্ণ মাত্রা সহ্য করতে অক্ষম রােগীদের জন্য) সর্বশেষ অন্তঃশিরায় ঔষধ নেয়ার ১৫ মিনিট পর অথবা শারীরিক অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর মুখে সেব্য। এই মাত্রা ৪৮ ঘন্টা করে চলবে এবং নিম্নের নিয়মে পরিবর্তিত হবে। 
  • পরবর্তী চিকিৎসা : ১০০ মি.গ্রা. দিনে ২ বার কম পক্ষে ৩ মাসের জন্য এবং সম্ভব হলে ১ - ৩ বছর পর্যন্ত মুখে সেব্য। 
  • হৃদপিন্ডের অনিয়মিত স্পন্দন : সাধারণত ৫০ মি.গ্রা. দিনে ২ - ৩ বার, প্রয়ােজনবােধে দৈনিক ৩০০ মি.গ্রা. ভাগ করে দিতে হবে। 
  • হার্ট ফেইলর : ১২.৫ - ২৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেট দৈনিক একবার। 
  • ২ সপ্তাহ পর মাত্রা বৃদ্ধি করে সর্বোচ্চ মাত্রা ২০০ মি.গ্রা. দিনে একবার। 
  • হাইপারথাইরয়েডিজম : ৫০ মি.গ্রা. দিনে ৪ বার। 
  • মাইগ্রেন প্রতিরােধে : ১০০ - ২০০ মি.গ্রা. দিনে বিভক্ত মাত্রায়। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার্য। 

 

রেনাল বৈকল্য: কোনও ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন নয়।    

হেপাটিক বৈকল্য: ডোজ হ্রাস করুন।

যারা একত্রে মেটোপ্রােলল এবং ক্যাটেকোলামাইন হ্রাসকারক সেবন করে তাদের প্রতিনিয়ত নিম্নরক্তচাপ অথবা ব্রাডিকার্ডিয়ার ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। এর ফলে মাথাঘােরা, রক্তচাপের পতনজনিত সংজ্ঞালােপ অথবা অবস্থানজনিত নিম্নরক্তচাপ হতে পারে।

প্রেসোনিল ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে প্রেসোনিল

1607 views