1 Answers

কম্পাঙ্ক এবং তীক্ষ্ণতার মধ্যে সম্পর্কঃ

১। সুরের তীক্ষ্ণতা শব্দের কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, কম কম্পাঙ্কের শব্দের তীক্ষ্ণতা কম এবং বেশি কম্পাঙ্কের শব্দের তীক্ষ্ণতা বেশি। তাহলে বলা যেতে পারে কম্পাঙ্ক হল কারণ এখন তীক্ষ্ণতা তার ফল। এই কারণে তীক্ষ্ণতাকে কম্পাঙ্ক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

২। কম্পাঙ্ক একটি ভৌত রাশি হওয়ার কারণে একে পরিমাপ করা যায়। যেমন সুরশলাকার কম্পাঙ্ক ২৫৬, ৫১২ ইত্যাদি। তীক্ষ্ণতা একটি অনুভূতি তাই একে পরিমাপ করা সম্ভব হয় না।

৩। তীক্ষ্ণতা শব্দের উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক হয়। যেমন লাউডস্পিকারের শব্দের তীক্ষ্ণতা কাছাকাছি এলে বেশি হয় এবং দূরে গেলে কমে যায়।

৪। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক। কম্পাঙ্ক বাড়লে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে। যে সুরের তীক্ষ্ণতা যত বেশি তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য তত কম হয়।

৫। তীক্ষ্ণতা হল শ্রবণেন্দ্রিয়ের একটি বিশেষ অনুভূতি। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দের কম্পাঙ্কের উপর নির্ভর করে বলে আমরা শব্দের কম্পাঙ্কের দ্বারা তীক্ষ্ণতাকে প্রকাশ করে থাকি।

1705 views

Related Questions