1 Answers
সংক্ষেপে র্যাম (RAM) হল এক ধরনের উপাত্ত (ডাটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র্যাম থেকে যে কোন ক্রমে উপাত্ত “অ্যাক্সেস” করা যায়, এ কারণেই একে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি বলা হয়। র্যান্ডম শব্দটি দিয়ে এখানে বুঝানো হয়েছে – যে কোনো উপাত্ত (তার অবস্থানের উপরে নির্ভর না করে) ঠিক একই নির্দিষ্ট সময়ে উদ্ধার করা যায়। রক্ষনাত্নক দৃষ্টিতে, আধুনিক ডির্যামগুলো র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি নয় (যেভাবে এগুলো ডাটা রিড করতে পারে)। একইসাথে, বিভিন্ন ধরনের এসর্যাম , রম, ওটিপি এবং নর ফ্ল্যাশ ইত্যাদি র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি। র্যামকে ভোলাটাইল মেমোরিও বলা হয় কারন এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না। অর্থাৎ আপনার ডিভাইস off করার পরে তথ্য মুছে যাবে, র্যাম খালি হয়ে যাবে।আরো কিছু নন-ভোলাটাইল মেমোরি (যেগুলোতে বিদ্যুত চলে যাওয়ার পরও তথ্য মুছে যায় না) যেগুলো রক্ষনাত্মক দৃষ্টিতে র্যাম, সেগুলো অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে রম বলে। একধরনের ফ্লাশ মেমোরি যাকে নর-ফ্লাশ বলে।আপনার ফোনে RAM (Random Access Memory) কম থাকলে ভালো গেইম চলবে না। আপনি একটা গেইম চালু করলেন। এখন গেমটা খেলতে ১জিবি র্যাম লাগবে। কিন্তু আপনার যদি ৫১২মেগা র্যাম থাকে তাহলে প্রথমে র্যামে ৫১২ এমবি ঢুকবে পরে ৫১২এমবি ঢুকবে। গেমটা চালু হতে ডবল সময় লাগবে। ফলে ল্যাগ করবে অর্থাৎ হয়ত গেমটা চলবেই না।