1 Answers

১.ইসুবগুলে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যামাইনো এসিড, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ উপকারী। ২.পাকস্থলী ঠাণ্ডা বা শীতল রাখতে ইসুবগুলের তুলনা নেই। ৩.কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার, ওজন হ্রাস ইত্যাদিতে ইসুবগুলের ভুসি উপকারী। ৪.পেটব্যথায় দ্রুত উপকার পাওয়া যায় একগ্লাস ইসুবগুল শরবতে। ৫.পাইলস সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিন তিন- চারবার ইসুবগুল শরবত খাওয়া উচিৎ। ৬.হজমের সমস্যা দূর করতেও ইসুবগুলের তুলনা নেই। ৭. পেটে সমস্যা দেখা দিলে তিন টেবিল চামচ ভুসি এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ বা পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন এক থেকে দুইবার খাওয়া যেতে পারে। তবে যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা, তারা দিনে তিনবারও খেতে পারেন। ৮.প্রতিদিন ইসবগুলের ভুসি খেলে আমাশয় ও অর্শ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ৯.প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস ইসুবগুলের ভুষির শরবত খেলে যৌনতা বৃদ্ধি পায়। ১০.ডায়েবেটিস রোগীদের রক্তে চিনির মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে ইসুবগুলের ভুসি খাওয়া ঠিক নয়। প্রতিক্ষণ/এডি/জহির। তথ্য সৃএ:www.protikhon.com

3388 views

Related Questions