1 Answers

  1. নাক, কান, গলা ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে: প্রাপ্তবয়স্ক- ২৫০ মি.গ্রা. প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর। শিশু- ৫০ মি.গ্রা./কেজি/দিন প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘন্টা অন্তর বিভক্তমাত্রায়।
  2. মূত্রজননতন্ত্রের সংক্রমণে: প্রাপ্ত বয়স্ক- ৫০০ মি.গ্রা. প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর। তীব্র সংক্রমণে উচ্চ মাত্রায় দেওয়া যেতে পারে। শিশু- ১০০ মি.গ্রা./কেজি/দিন প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর বিভক্ত মাত্রায়।
  3. গনোরিয়া: ৩.৫ গ্রাম এমপিসিলিনের সাথে ১ গ্রাম প্রোবেনেসিড একক মাত্রা হিসেবে।
  4. পরিপাকনালীর সংক্রমণে: প্রাপ্ত বয়স্ক- ৫০০ মি.গ্রা. প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর। শিশু- ১০০ মি.গ্রা/কেজি/দিন প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর বিভক্ত মাত্রায়।
  5. এমপিসিলিন ইনজেকশনঃ মাংশপেশী ও শিরাপথে এবং ইনফিউশন হিসেবে শিরাপথে প্রয়োগ করা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক- ৫০০ মি.গ্রা. প্রতি ৪-৬ ঘন্টা অন্তর। মেনিনজাইটিসে উচ্চ মাত্রা প্রযোজ্য। শিশু (১০ বছরের নিচে) প্রাপ্ত বয়স্কদের সেবনমাত্রা অর্ধেক।

খালি পেটে নেওয়া উচিত। খাওয়ার 1 ঘন্টা বা 2 ঘন্টা আগে খান।

 

ইনজেকশনের ব্যবহার বিধি:

  • মাংসপেশীতে: ২৫০ মি.গ্রা. এর ভায়ালের সাথে ১.৫ মি.লি বা ৫০০ মি.গ্রা ভায়ালের সাথে ২.৫ মি.লি ওয়াটার ফর ইনজেকশন মিশিয়ে দ্রবীভূত করতে হবে।
  • শিরাপথে: এমপিসিলিন ২৫০ মি.গ্রা. পাউডারের সাথে ৫ মি.লি ওয়াটার ফর ইনজেকশন ও এমপিসিলিন ২৫০ মি.গ্রা. পাউডারের সাথে ৫-১০ মি.লি ওয়াটার ফর ইনজেকশন মিশিয়ে দ্রবীভূত করতে হবে। এরপর দ্রবণকে ৩-৪ মিনিট ধরে ধীরে ধীরে শিরায় অথবা ড্রিপটিউবে প্রয়োগ করতে হবে।
  • শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে: শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে প্রয়োগের জন্য প্রস্তুতকৃত দ্রবণ শিরাপথে প্রয়োগ উপযোগী যেকোন দ্রবণের সাথে মিশিয়ে ৩০-৬০ মিনিট ধরে প্রয়োগ করতে হবে।

দ্রবণ তৈরীর পরপরই এমপিসিলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা উচিত। ইনফিউশন ফ্লুইডের সাথে এমপিসিলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা যায় তবে ব্লাড প্রোডাক্ট বা প্রোটিন জাতীয় ফ্লুইডের সাথে এমপিসিলিন ইনজেকশন ব্যবহার্য নয়। গ্লুকোজ ও অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট দ্রবণের সাথে শিরাপথে ব্যবহারের সময় এমপিসিলিন ইনজেকশন দ্রবণ প্রস্তুতির ১ ঘন্টার মধ্যে ব্যবহার করা উচিত।

এমপেন পাউডার ফর সাসপেনশন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে এমপেন

3900 views

Related Questions