হার্নিয়ার লক্ষনগুলো কি কি?

হার্নিয়ার লক্ষনগুলো কি কি? কিভাবে বুঝব যে হার্নিয়া হয়েছে?
3087 views

3 Answers

হার্নিয়ার লক্ষণ: 

> কুঁচকি বা অন্ডথলি ফুলে যাওয়া। 
> নাভির আশপাশ ফুলে যাওয়া। 
>উরুর গোড়ার ভেতর দিক ফুলে যাওয়া। 
>পেটে পূর্বে অপারেশন করা হয়েছে এমন স্থান ফুলে যাওয়া। 

হার্নিয়ার ফলে সৃষ্ট জটিলতাঃ 

> প্রচন্ড ব্যাথা 

 >বমি বমি ভাব 
>মল ত্যাগে অসুবিধা। 

 হার্নিয়ার চিকিৎসায় বিলম্ব হলে আটকে যাওয়া খাদ্য খাদ্য নালীর রক্ত সরবরাহ ব্যাহত করে গ্যাংগ্রিন ঘটাতে পারে। এমন কি মৃত্যুও হতে পারে। 

3087 views Answered

হার্নিয়ার লক্ষন সমুহঃ

কুচকি বা অণ্ডথলি ফুলে যায়৷

নাভির একপাশে বা চারপাশে ফুলে যায়৷

উরুর গোড়ার ভেতরের দিকে ফুলে যায়৷

আগে অপারেশন করা হয়েছে এমন কাটা জায়গা ফুলে যায়৷

হার্নিয়া আমাদের দেশের লোকজনের কাছে বেশ পরিচিত একটি রোগ৷ এটা হয়তো অনেকেরই জানা যে, আমাদের পেটের ভিতরে খাদ্যনালী থাকে যা মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত৷ সাধারণত খাদ্যনালী ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে৷ হার্নিয়ার ক্ষেত্রে পেটের কিছু দুর্বল অংশ দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ বিশেষ অণ্ডথলিতে চলে আসে৷ তখন কুচকি এবং অণ্ডথলি অস্বাভাবিক ফুলে যায় এবং ব্যথা হয়৷

যদি আপনার কোনো কুঁচকিতে ব্যথা হয় কিংবা ফোলা দেখতে পান তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। এই ফোলা বেশি দেখা যাবে যখন আপনি দাঁড়াবেন। সাধারণত আক্রান্ত অনুভব করতে পারেন। আপনি শুয়ে পড়লে হার্নিয়া আপনা আপনি মিলিয়ে যাবে অথবা আপনি হাত দিয়ে হালকা চেয়ে পেটে ঢুকিয়ে দিতে পারবেন। যদি তা না হয় তাহলে জায়গাটিতে বরফের সেঁক দিলে ফোলা কমে গিয়ে হার্নিয়া চলে যায়। শোয়ার সময় মাথার তুলনায় কোমর উঁচু করে শুতে হবে। যদি আপনি হার্নিয়া ঢোকাতে না পারেন তাহলে বুঝতে হবে অন্ত্রের অংশ পেটের দেয়ালে আটকে গেছে। এটি একটি মারাত্মক অবস্থা এ ক্ষেত্রে জরুরিভাবে অপারেশনে প্রয়োজন হয়। এ পর্যায়ে বমি বমি ভাব অথবা জ্বর হতে পারে এবং হার্নিয়া লাল, বেগুনি অথবা কালো হয়ে যেতে পারে। যদি এ ধরনের কোনো চিহ্ন বা উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

3087 views Answered

কারণ ..........

আমাদের পেটের কিছু অংশ আছে যেগুলো আশেপাশের 

অংশ থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল থাকে৷ অনেকের 

জন্মগতভাবে এ অংশগুলো দুর্বল থাকে৷ পেটের 

ভিতরের চাপ যদি বেশি হয়, যেমন-অনেক দিনের 

পুরানো হাঁচি, কাশি বা কোষ্ঠকাঠিন্য আছে, তাদের 

বেলাতেও ক্ষুদ্রান্ত্র এই দুর্বল অংশগুলো দিয়ে বেরিয়ে 

আসতে পারে৷ উদর এবং উরুর সংযোগ স্থলে হার্নিয়া হতে পারে৷ 

এটা সাধারণত পুরুষদের হয়৷ মহিলাদের বেলাতে উরুর 

ভেতরের দিকে স্ফীত দেখা যায়৷ নাভির চারপাশে বা কোনো 

একপাশে ফুলে যায়৷ এটাকে নাভির হার্নিয়া বলা হয়৷ পূর্বে 

অস্ত্রোপাচার করা হয়েছে এমন জায়গাতেও হার্নিয়া হতে পারে৷ 

এটাকে ইনসিশনাল হার্নিয়া বলা হয়৷ ভারী জিনিস তুলতে 

গিয়ে হতে পারে৷ পুরুষদের প্রস্টেটের অসুখ, মুত্রাশয়ের 

অসুখের কারণে হতে পারে৷ চাপ দিয়ে প্রস্রাব করলে হতে পারে৷ প্রসবের পর ভারি কাজ বা অনবরত সিঁড়ি ভাঙলে 

হার্নিয়া হতে পারে৷[১]


লক্ষণ........

কুচকি বা অণ্ডথলি ফুলে যায়৷

নাভির একপাশে বা চারপাশে ফুলে যায়৷

উরুর গোড়ার ভেতরের দিকে ফুলে যায়৷

আগে অপারেশন করা হয়েছে এমন কাটা জায়গা ফুলে যায়৷

প্রতিরোধ


জন্মগত ত্রুটির কারণে হার্নিয়া হলে তা প্রতিরোধ করা যায় না, চিকিৎসা করতে হয়। কিছু পরামর্শগুলো মেনে চললে পেটের মাংসপেশি ও টিস্যু বা কালার টান কমাতে পারা যায়:


স্বাস্থ্যকর ওজন রাখাঃ যদি স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে বেশি থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ব্যায়াম ও খাদ্যগ্রহণ করা।

উচ্চ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য ও টানটান অবস্থা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

ভারী বস্তু উত্তোলনে সতর্ক হতে হবে। পারত পক্ষে ভারী বস্তু উত্তোলন করা যাবে না, যদি একান্তই উত্তোলন করতে হয় তাহলে সর্বদা হাঁটু ভাঁজ করে শুরু করতে হবে, কখনো কোমর বাঁকাবেন যাবে না।

ধূমপান বন্ধ করতে হবে। ধূমপান মারাত্মক রোগ যেমন ক্যান্সার, এমফাইসেমা ও হ্নদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ ছাড়া ধূমপান সচরাচর দীর্ঘস্থায়ী কাশির সৃষ্টি করে, যা ইনগুইনাল হার্নিয়া সৃষ্টিতে উৎসাহ জোগায়।

3087 views Answered

Related Questions

Next steps