মশার কয়েলের ক্ষতি সমূহ কি?

মশার কয়েলের ক্ষতি
3888 views

5 Answers

মশার কয়েলের ধোয়ার কারণে মশা মরে, এটা সত্য। কিন্তু অন্য কোনো ধোয়ার কারণে মশা মরে না বরং পালিয়ে যায়।কারণ মশার কয়েল তৈরী করার সময় কিছু কীটনাশক জাতীয় বিষাক্ত ঔষদ দেয়া হয়, যার কারণে মশা মরে যায়। এই ধোয়ার কারণে বিশেষ করে চত বাচ্চাদের শ্বাস-প্রশ্বাস আর মাধ্যমে অতবাহিত করে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে এবং বড়দেরকেও অতিরিক্ত ধোয়ার কারণে একই ধরনের ক্ষতি হয়।

3888 views Answered

যে ক্ষতিগুলো হতে পারে:= @শ্বাসকষ্ট হতে পারে| @কাশি হতে পারে| @ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে|

3888 views Answered

একটি মশার কয়েল ১০০ টি সিগারেটের চেয়েও ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত করে। নিয়মিত কয়েল ব্যবহার ফুসফুসে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ তৈরি করে। এবং ফুসফুস ক্যান্সারের সম্ভাবনা ৪০% বাড়িয়ে দেয়। এক প্যাকেট কয়েল ফ্রিসহ কিনে মহানন্দে ঘরের ভেতর যখন একটা কয়েল জ্বালিয়ে দেই, মশারা নিশ্চয়ই বিজ্ঞাপনের মতো ‘পালাপালা’ করে উড়ে পালায়। তারপর সপরিবারে নিশ্চিন্তে আমাদের রাত্রি যাপন। কিন্তু সকালবেলা ঘুম থেকে ঊঠে একবার অনুভব করেছেন কি, আপনার শরীর কি দুর্বল লাগছে? নাক জ্যাম মনে হচ্ছে? গলা শুকিয়ে গেছে? এগুলো আমার আবিস্কার। আমি যদি কয়েল জ্বালিয়ে গুমায়।সকালে উঠে আমার নাক জ্বালা পোড়া করে।তারপর শুরু হয় হাঁচি, গলা জ্বলে (মনে হয় গ্যাসটিক)। সিগারেটের ধোঁয়া এবং মশার কয়েলের ধোঁয়া দুটোই ক্ষতিকারক, এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এ দেশে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি থেকে শুরু করে নামে বেনামে বহু কোম্পানিই এখন অস্বাভাবিকভাবে মশার কয়েল বাজারজাত করছে একেবারেই ।

3888 views Answered

একটা মশার কয়েল থেকে যে পরিমান ধোঁয়া বের হয় তার ১০০ টা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর। আর এই কয়েলের ধোয়ায় ভারতের উল্লেখযোগ্য পরিমান মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে বলে একজন বিশেষজ্ঞ এ তথ্য জানান। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার চেস্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশন এ গবেষনা চালায়। ফাউন্ডেশনের পরিচালক সন্দীপ সালভি বলেন, ‘অনেক মানুষ জানেই না যে একটা মশার কয়েল একশটা সিগারেটের সমান ক্ষতি করে ফেলছে তার ফুসফুসে।’ তিনি আরও বলেন, মানব শরীরে বায়ু দূষণের প্রভাব সম্পর্কে গণসচেতনতার পর্যাপ্ত অভাব রয়েছে। বাসার ভেতরের বায়ু দূষণও শরীরের জন্য মারাত্বক। সুত্র -desh.tv 'একটা মশা যদি মারা যায়, তাহলে আমি মারা যাচ্ছি না কেন? হ্যাঁ আমি মারা যাচ্ছি। তবে সেটা ধীরে ধীরে । যাকে ইংরেজিতে বলে slow poisoning। অর্থাৎ আমি ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছি। অথচ শুনেছি পৃথিবীর অনেক নেতা, সরকার প্রধান কে নাকি slow poisoning এর সাহায্যে মারা হয়েছিল। যাদের খাবারের সাথে সামান্য পরিমান বিষ দেয়া হতো।এভাবে তাদের ধীরে ধীরে মারা হতো। ঠিক আমরা এখন সেই slow poisoning এ আক্রান্ত। জার্মানির লু্যরেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞগণ একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তাঁরা জানান, কয়েল তৈরিতে যে কাঠের গুঁড়ো ও নারকেলের মালার গুঁড়ো ব্যবহার করা হয়, তার ধোঁয়া এতোই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালী ও ফুসফুসের বায়ুথলির মধ্যে পৌঁছে সেখানে জমা হতে পারে। আর খুব সূক্ষ্ম হওয়ার জন্য কণাগুলো বাতাসেও কয়েকদিন ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে। অর্থাৎ মশার কয়েল নেভার বহুক্ষণ পরেও ঘরে অবস্থানকারী মানুষের শ্বাসনালীতে কয়েলের ধোঁয়ার কণা ঢুকতে পারে। এর ফলে ফুসফুসের বায়ুথলির কণায় রক্ত জমে যাওয়া থেকে নানা ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া অ্যালেট্রিন মস্তিষ্ক ও রক্তের ভেদ্যতা বাড়িয়ে দেয় বলেও তাঁরা জানান। কয়েলের ধোঁয়া কমবয়সীদের স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকর । বিশেষত শিশুদের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক।

3888 views Answered

কয়েলের মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ (১) আপনি যদি একটি মশার কয়েল টানা ৮ ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে ১৩৭টি সিগারেটের পরিমান বিষাক্ত ধোঁয়া আপনি গিলছেন। (২) কয়েলে যে গুঁড়া দেখেন সেটা এতটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালীর এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে জমা হয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে। (৩) কয়েলের ধোঁয়া চোখের ভীষন ক্ষতি করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়াবহ ক্ষতিসাধন হতে পারে। (৪) কয়েল মশাকে তাৎক্ষনিক মারে কিন্তু মানব দেহে স্লো পয়জনিং করে, ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়। এ্যারোসলে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ (১) এ্যারোসল হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মানব দেহের হার্ট সরাসরি এ্যারোসলের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। (২) এ্যারোসলের ক্যামিকেল চোখের ক্ষতি করে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে চোখের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

3888 views Answered

Related Questions

Next steps