ই-সিগারেট (E-Cigarette) কি?
3 Answers
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান ছাড়তে বিশ্বের অনেকেই ই-সিগারেটের দ্বারস্থ হন। বিতর্ক আছে ই-সিগারেট নিয়ে। কেননা, এতেও রয়েছে নিকোটিন। কিন্তু এক খবরে বিবিসি জানিয়েছে, ধূমপানের ক্ষতি এড়াতে যুক্তরাজ্যে ই-সিগারেট ওষুধের সমমর্যাদা পেতে চলেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হচ্ছে, মাদকমুক্ত জীবন দিতে ই-সিগারেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবশ্য যুক্তরাজ্যে একে ওষুধের মর্যাদা দেওয়ার কথা ভাবা হলেও কানাডাসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশেই এই ই-সিগারেট নিষিদ্ধ। প্রকাশ্যে তামাকজাতীয় ধূমপান অনেক দেশে নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ই-সিগারেটের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে। ই-সিগারেট সেবনের পক্ষে গবেষকদের যুক্তি হচ্ছে, এই সিগারেটে নিকোটিন থাকলেও এতে নেই সাধারণ সিগারেটের মতো অন্যান্য জীবনঘাতী ক্ষতিকর উপাদান। এ সিগারেটে টার পোড়ানো ধোঁয়া বের হয় না, শুধু বাষ্প হিসেবে বের হয় নিকোটিন, যার ফলে ব্যবহারকারী পান সিগারেট সেবনের অনুভূতি। তাই স্বাস্থ্যের তেমন কোনো ক্ষতি ছাড়াই সিগারেট না পুড়িয়েও ই-সিগারেটে আগের মতোই অনুভূতি পাবেন ধূমপায়ী। এর ফলে একপর্যায়ে তার পক্ষে সিগারেট ছেড়ে দেওয়াও সম্ভব হবে। যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা জানিয়েছেন, ইলেকট্রনিক সিগারেট মূলত ধূমপায়ীদের ধূমপানের নেশা কমানোর ব্যবস্থা৷ এটা ব্যাটারিচালিত এমন একটা ডিভাইস, যা দেখতে সিগারেটের মতো। এতে রয়েছে একাধিক চেম্বার। একটা চেম্বারে নিকোটিনের দ্রবণ, যাকে গরম করে তোলে অন্য চেম্বারে থাকা একটি ব্যাটারি। ব্যাটারি থেকে নির্গত বিদ্যুত্-তরঙ্গের স্পর্শে নিকোটিন-দ্রবণ ফুটতে শুরু করে। যে ধোঁয়া বের হয়, তাতে থাকে নিকোটিন, যা মস্তিষ্কে ধূমপানের অনুভূতি জাগায়। আসল সিগারেটের সঙ্গে ই-সিগারেটের পার্থক্য বোঝাতে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তামাক দিয়ে তৈরি সিগারেট পুড়লে ধোঁয়ার সঙ্গে যে হাইড্রোকার্বন ও রাসায়নিক মেশে, তা বিপজ্জনক। এমনকি তা থেকে ক্যানসারও হতে পারে। সিগারেট থেকে নির্গত কার্বন-মনোক্সাইড ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু ই-সিগারেটে সহনীয় নিকোটিন শরীরে কম ক্ষতি করে। যদিও এখনো পর্যন্ত এ নিয়ে গবেষকদের গবেষণা চূড়ান্ত মতামত দেয়ার জায়গায় পৌঁছেনি।
ইলেক্ট্রনিক সিগারেট ইহার ফুল নাম। হ্যা এটা দেখতে একদম সিগারেটের মতই কিন্তু ইলেকট্রনিক। এটার কাজ হল এটা ব্যবহারের মাধ্যমে অরিজিনাল সিগারেট থেকে দুরে রাখা । আর এইটা মানুষের শরিরের উপর কোন প্রভাব ফেলে না। অর্থাৎ এইটা কোন ক্ষতি করে না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy