1 Answers
১৯৫৮ সালের কথা। ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরী’র ইন্সট্রুমেন্টেশান ডিভিশানের প্রধান উইলিয়াম আলফ্রেড হিগিনবোথাম। তিনি নিউক্লিয়ার নন প্রোলিফারেশান নিয়ে গবেষনা করতেন। নানাপ্রয়োজনে গবেষনাগারে মাঝে মাঝে কিছু দর্শনার্থীর সমাগম ঘটত। গবেষণাগার বিজ্ঞানীদের জন্য বেহেশত খানা হলেও স্বাধারন লোকের জন্য চরম বোরিং একটা জায়গা। দর্শনার্থীদের কথা বিবেচনা করে হিগিনবোথাম একটা কম্পিউটার গেম আবিষ্কার করলেন যাতে আগতদের সময়টা ভালো কাটে। হিগিনবোথামের আবিষ্কৃত টেনিস গেমটিই পৃথিবীর প্রথম নির্মিত কম্পিউটার গেম। ১৯৬৮ সালে র্যা লফ বেয়ার ভিডিও গেমসের উপর কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭১ সালে তিনি টিভি গেমস এপ্যারেটাসের প্যাটেন্ট অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে ম্যাগানাভক্স “ব্রাউন বক্স”র লাইসেন্স অর্জন করেন এবং ম্যাগানাভক্স ওডেসি নামে বাজারে ছাড়েন। একই বছরে আর্কেড গেম “পং” গেম আবিষ্কার করেন নোলান বুশনেল।

হাজারো ভিডিও গেম বাজারে এসেছে। তাদের ইতিহাস লেখা কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। আপনারও পড়তে ভালো লাগবে না। জাস্ট শুরুর গল্পটা বললাম। সনির প্লে স্টেশান তো আমাদের যুগের কথা। ভিডিও গেমের জায়গা দখল করে নিয়েছে মোবাইল গেম। মোবাইল গেমে পূর্নতা দিয়েছে এন্ড্রয়েড সেটগুলো। এংরি বার্ড যে একবার খেলেছে সে এই গেমের প্রেমে না পড়ে পারে না। আমিও ভাবতাম লোকে একটা মোবাইল গেম নিয়ে কেন এত মাতামাতি করে। আমি প্রথম কয়েকবার এই গেমটা খেলার পর নতুন একটা এন্ড্রয়েড মোবাইল কিনে ফেললাম। স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াই ডুয়োস।
হিগিনবোথাম তার আবিষ্কৃত টেনিস গেম সম্পর্কে বলেছিলেন, মানুষ আমার নিউক্লিয়ার গবেষনার কথা মনে রাখবে না কিন্তু আমার এই ভিডিও গেমের কথা মনে রাখবে। আজকালকার মোবাইল ফোন, ইমেইলের যুগের সহপাঠিরা অনেক সৌভাগ্যবান। ক্লাস নাইনে ওঠার পর কল্লোলের বাবা বদলি হয়ে যায়। কল্লোলরা বাবার সাথে চলে যায়। তারা এই এলাকার নয়। বাবার চাকরীসূত্রে এসেছিলো। প্রথম দিকে চিঠি চালাচালি হত। পরে একসময় থিতু হয়ে যায় সব। হারিয়ে গেছে কল্লোল। কোন খোঁজ জানিনা তার। স্কুলের বন্ধুরা যখন এক হই তখন মাঝে মধেই আমরা কল্লোলের কথা বলি। কল্লোল কি আমাদের কথা মনে করে একবারও!
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy