1 Answers
শরীরে যে জীবাণুই আক্রমন করুক না কেনো, যেখানেই আক্রমন করুকনা কেনো প্রায় সবসময়ই তা রক্তে চলে আসে। এজন্য শরীরের কোথাও জীবাণুর আক্রমন ঘটলে রক্ত পরীক্ষা করালে ঐ জীবাণুর উপস্থিতি টের পাওয়া যায় (শুধুমাত্র অল্পকিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম পাওয়া যেতে পারে) আর সেই পরীক্ষাটির নামই ব্লাড কালচার। ব্লাড কালচার করতে হলে রোগীর বেশ খানিকটা রক্ত নিয়ে তা জীবানণুর জন্য একটি পুষ্টিকর মিডিয়ায় (Culture media) দেয়া হয়। অনেক সময় একই সাথে বেশ কয়েকটি মিডিয়াও ব্যবহার করা হয়। মিডিয়ায় জীবানুটি বংশ বৃদ্ধি করে বেড়ে উঠলে এরপর তাকে বিভিন্ন বর্ণে রঙ্গিন করে অণুবীক্ষন যন্ত্রের নীচে দেখে সনাক্ত করা হয়। এরপর কোন কোন এন্টিবায়োটিক এই জীবানুর উপর কাজ করবে তা নির্নয়ের জন্য জীবানুগুলোকে বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হয়। একে সেনসিটিভিটি (Sensitivity test) বলা হয়। ব্লাড কালচার পরীক্ষার ফলাফল পেতে একেক জীবানুর জন্য একেক সময় লাগে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই তিন দিনের মধ্যে এর ফলাফল পাওয়া যায়। তবে টিবির জীবানু কালচার করে পেতে প্রায় দুই মাস সময় লাগে। ব্লাড কালচার করে দায়ী ব্যাকটেরিয়াটি সম্পর্কে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই শতকরা ১০০ ভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়। তবে এর অল্পকিছু ব্যতিক্রম আছে। ব্যকটেরিয়া না হয়ে অন্য কোনো জীবানু হলে ব্লাড কালচার পরীক্ষাটি তা নির্ণয়ে ব্যর্থ পরীক্ষা হিসেবে পরিগণিত হয়