1 Answers

স্ট্রেচ মার্ক বা ত্বকের বৃদ্ধি জনিত ফাঁটা দাগের অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই রয়েছে। আমাদের শরীর যখন বৃদ্ধি পায় চামড়ার ত্বকে তখন টান লাগে। এরই ফল স্ট্রেচ মার্ক। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের পেটে স্ট্রেচ মার্ক খুবই বিব্রতকর হয়ে ওঠে। আসলে স্ট্রেচ মার্ক থেকে রক্ষা পেতে হলে আগে থেকেই সতর্ক থাকা সবচেয়ে জরুরী। এজন্য বয়োসন্ধিকাল এবং প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই ত্বকে নিয়মিত লোশন কিংবা অলিভ অয়েলের ম্যাসাজ খুব উপকারে আসে। তবে অসাবধাণতা বশত যাদের ইতোমধ্যে স্ট্রেচ মার্ক হয়ে গেছে তারা নিয়মিত কিছু জিনিস চর্চা করলে কিছুটা হলেও আগের অবস্থায় ফিরে আসা যায়। আজকে দেখে নিই সেরকম কিছু উপায়। ভিটামিন ই সৌন্দর্য বিষয়ক কোন কথা আসলে এই ভিটামিনটির কথাও বারবার আসে। প্রকৃত অর্থে ভিটামিন ই হলো একটি শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের যৌবন ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গোসলের পূর্বে প্রতিদিন ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল দিয়ে সম্পূর্ণ শরীর ম্যাসাজ করুন। যদি এ ধরনের তেল আপনার কাছে না থাকে তবে একটি ভিটামিন ই সফ্‌ট জেল ভেঙে সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করতে পারেন। তবে শুধু ত্বকে প্রয়োগ করলেই হবে না ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবারও খেতে হবে যেমন: সয়াবিন, গাজর, মরিচ, টমেটো, ওটমিল ইত্যাদি। দুধ এবং ডিমের সাদা অংশ এই দুটি উপাদান ত্বকের স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে অনন্য। দুধ এবং ডিমের সাদা অংশ দিয়ে মিশ্রণ তৈরী করুন। এই মিশ্রণটি আক্রান্ত স্থানে ভালকরে প্রয়োগ করুন। ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩-৪ বার এটি ব্যবহার করুন। কফি প্যাক কফি পাউডার একটি চমৎকার এক্সফোলিয়েটিং মাস্ক হিসাবে স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে সাহায্য করে। এক চা চামচ কফি পাউডারকে সম্পূর্ণ গুড়ো করে ফেলতে হবে। এর সাথে আধা চা চামচ চিনি যোগ করে কোন ভাল ব্র্যান্ডের বেবি লোশনের সাথে মেশান। এই মিশ্রণটি স্ট্রেচ মার্ক আক্রান্ত স্থানে আলতো করে প্রয়োগ করুন(বেশি জোরে ঘষবেন না)। এই প্যাকটি সপ্তাহে একবার করে নিয়মিত ব্যবহার করতে থাকুন।

3670 views

Related Questions