1 Answers
তথ্য সংরক্ষণের আরেকটি জনপ্রিয় ফরম্যাট হলো ডিভিডি। সনি ও ফিলিপসের সঙ্গে জাপানের তোশিবা যুক্ত হয়ে কমপ্যাক্ট ডিস্কের আধুনিক সংস্করণ ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক বা ডিভিডি প্রযুক্তির উন্মেষ ঘটায় নব্বইয়ের দশকের শুরুতে। আধুনিক ডিজিটাল যুগের অনেক বেশি তথ্য রাখার চাহিদা থেকে এর সৃষ্টি। ডিভিডি প্রযুক্তি বাজারে আসার পর ভিডিওচিত্র সংরক্ষণ ও ভিডিও ছবি দেখার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। ভিডিও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এর বহুবিধ ব্যবহারের জন্য ডিভিডিকে অনেকে ডিজিটাল ভার্সেটাইল ডিস্ক হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন। একক স্তর বা লেয়ার-বিশিষ্ট এই ডিস্কের ধারণক্ষমতা সাধারণত ৪ দশমিক ৭ গিগাবাইট (১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট)। দ্বৈত স্তরের ক্ষেত্রে এই ধারণক্ষমতা হয় ৮ দশমিক ৫৪ গিগাবাইট। একটি ৪ দশমিক ৭ গিগাবাইটের ডিভিডিতে একটি সিডির প্রায় ছয় গুণ বেশি তথ্য রাখা যায়। ডিভিডির লেজার হিসেবে ৬৫০ ন্যানোমিটারের লাল বর্ণের তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে চলচ্চিত্র দেখার জন্য ডিভিডির ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। ডিভিডি উপভোগ করার জন্য দরকার ৭২০ x ৫৭৬ রেজ্যুলেশনের টিভি বা পর্দা।