3 Answers
না, যেকোনো পোকামাকড়ই হারাম।
তবে এরা যদি এমন কোনো রোগের নিরাময়ে কাজে আসে যার অন্যকোন হালাল বা সহজলভ্য নিরাময় পদ্ধতি নেই সেক্ষেত্রে সমস্যা নেই।
>>> ফতওয়ায়ে শামী
>>> মজমুয়া ফতওয়ায়ে আমিনিয়া
>>> হেদায়া
তবে শাফেয়ী মাজাহাবে কুচো বা কোচ্ছা খাওয়া জায়েজ আছে।
জলজ প্রাণীদের মধ্যে আমাদের জন্য মাছ-কে বৈধ করা হয়েছে। কিন্তু, কোনটি মাছ, আর কোনটি মাছ নয়-শরীয়ত তা স্থির করে নি। তার নির্ণয়ন অর্পন করা হয়েছে উরফ’ বা প্রচলনের উপরে। অতএব, প্রচলনে যেটি মাছ, তা খাওয়া হালাল। প্রচলনে যেটি মাছ নয়, তা খাওয়া বৈধ নয়। সে ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের জলজ প্রাণীদের মধ্যে কুইচ্চা মাছ নয়, কাঁকড়া মাছ নয়, ফুটকা মাছ নয়-এভাবে বাকীগুলো ও বুঝে নিতে হবে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে প্রায় ৭৬ প্রজাতির মাছ রয়েছে। কুইচ্চা তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি মাছ নয়। এটি কেবল একটি জলজ প্রাণী, মুসলমানদের জন্য অখাদ্য। বিদেশে রপ্তানীর জন্য অথবা উপজাতি কিংবা অমুসলিমদের কাছে বিক্রির জন্য কুইচ্চা শিকার, আড়তায়িতকরন সবই বৈধ আছে। তবে, হোটেলে-মোটেলে বাইমের নামে মুসলমানদের আহারে কুইচ্চা প্রদান এবং 'আহার্যরুপে কুইচ্চা ভক্ষণ-কোনটিই মুসলমানদের জন্য জায়েয নয়।