1 Answers

পুস সেল ৩০-৪০ একরকম ঝুঁকিপূর্ণ মাত্রাই বলা চলে, তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া জরুরি। 

পুস সেল প্রধানত শ্বেতকণিকা দ্বারা গঠিত, রোগাক্রান্ত দেহে পুস সেল বৃদ্ধি পায়।

পুস সেল বেড়ে গেলে করণীয়-
  • যেহেতু পুস সেল বাড়ার কারন সুনির্দিষ্ট নয়, তাই এর কারণ যাচাই করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে,
  • ইনফেকশন এড়াতে ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের পরামর্শ দিতে পারে,
  • ব্লাডার বা কিডনিতে পাথর থাকলে তা অপসারণ করতে হবে,
  • প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল পানীয় পান করতে হবে,
  • প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হলে অ্যাল্কালাইন মিক্সচার পান করা যেতে পারে,
  • ব্যথা, জ্বালাপোড়া, বমি ইত্যাদি উপসর্গ নিরাময়ে ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।
8047 views

Related Questions