1 Answers
পছন্দের জিনিসগুলো চাইলে যেকেউ নেট থেকেই খুঁজে ডাউনলোড করে নিতে পারে। ধরা যাক পৃথিবীতে কোথাও এলিয়েন এর আগমন হয়েছে। আর কেউ একজন তার সাক্ষাৎকার নিয়ে তা ভিডিও আকারে কোন সার্ভারে আপলোড করেছে যাতে যেকেউ সহজেই সেটা ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারে। যেহেতু এটা একটা অতি আশ্চর্যজনক ঘটনা সেহেতু সারা বিশ্বেই সেই ভিডিও ডাউনলোড করে দেখার জন্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যাবে। প্রায় সব দেশেই এই খবর ছড়ানোর সাথে সাথে কোটি কোটি মানুষ একই সাথে ভিডিও ডাউনলোডের চেষ্টা করবে। ফলাফল হিসেবে দেখা যাবে সার্ভার ডাউন হয়ে গেছে। এর ফলে এতোশতো আগ্রহী মানুষ তারা সেই মুহূর্তে দেখার আশা করে থাকলেও দেখতে পারছেনা যতক্ষণ না পর্যন্ত অন্য কোন সার্ভারে অন্য কেউ আপলোড করে দিচ্ছে, আর সেখানেও যে আগের সার্ভারের মতো অনর্থ ঘটবেনা সেটা কে বলবে? অর্থাৎ স্বাভাবিক ভাবে আমরা যেভাবে কোন কিছু ডাউনলোড করি সেভাবে একই সাথে অনেক মানুষ সেই জিনিস ডাউনলোড করতে গেলে সার্ভার স্লো কিংবা ডাউন হয়ে যেতে পারে। তাই এটা বেশ বড় একটা ঝামেলা। এই ঝামেলাকে এড়ানোর জন্যেই ব্র্যাম কোহেন তার যুগান্তকারী আবিষ্কারটি করেন – বিটটরেন্ট। অতিরিক্ত মানুষের চাপে সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম বিটটরেন্ট। এই পিটুপি (পিয়ার টু পিয়ার) ফাইল শেয়ারিং মাধ্যমে স্বাভাবিক মাধ্যমের ঠিক উল্টোটা ঘটে। অর্থাৎ যত বেশি মানুষ এক সাথে কোন ফাইল ডাউনলোড করতে চাইবে টরেন্ট এর মাধ্যমে ততো বেশি স্পিড পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।