2966 views

1 Answers

ওয়াই-ফাই হচ্ছে এমন একটি টেকনোলজি যার মাধ্যমে যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সাথে বিনা তারেই ডাটা এক্সচেঞ্জ করা যাবে, এক্ষেত্রে হাই স্পিড ইন্টারনেট কানেকশনসহ একটি কম্পিউটার থাকা বাঞ্ছনীয়। ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ ওয়াইফাই এর নাম শুনেন নি, ব্যবহার করেন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। দ্য ওয়াইফাই এলিয়েন্স এর মত অনুযায়ী ওয়াইফাই হচ্ছে ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLan) যা ইন্সটিটিউট অব ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স এর ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে হয়েছে। বহুল প্রচলিত ওয়াই-ফাই শব্দটি হচ্ছে ইংরেজি WLan (ওয়েভল্যান) এর সমার্থক শব্দ। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার, ল্যাপটপ সহ যেসব প্রযুক্তি পণ্যগুলো ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারে তা কোন নির্দিষ্ট রিসোর্স যা থেকে ওয়্যারলেস ভাবে ডাটা প্রেরণ করা হবে বা গ্রহণ করা হবে তার সাথে সংযুক্ত হতে পারে। সাধারণত ওয়াইফাই ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করার লক্ষেই। কম বেশি সবাই ওয়াইফাই এর সাথে পরিচিত। বর্তমান সময়ে বাজারে আসা সব ল্যাপটপেই ওয়াইফাই সুবিধা পাওয়া যাবে, তাছাড়া প্রায় সবগুলো স্মার্টফোনই এখন ওয়াইফাই সমৃদ্ধ। আর আশার কথা হলো অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষ প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে খুবই দ্রুত, দেশের সুপার মলগুলোতে, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস সহ নানা জায়গায় এখন ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে। চলতে ফিরতে বিনামূল্যে ভালো স্পিডের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্যে ওয়াইফাই সবার কাছেই বেশ জনপ্রিয়।

2966 views