1 Answers
বাংলাদেশের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশের গরমের রোগ সানস্ট্রোক। গরম বাড়লে শরীরে অস্বস্তি, অনিদ্রা, মাথাঘোরা, ক্ষুধামান্দ্য - এরকম সমস্যা হয় অনেকেরই। তবে এগুলো খুব সাধারণ সমস্যা। শরীর ঠান্ডা হলে বা তাপ কমলেই এসব সমস্যা কমে যায়। কিন্তু সানস্ট্রোক মারাত্মক। এটা থেকে মৃত্যুও হতে পারে। আমাদের মগজের হাইপোথ্যালামাসে রয়েছে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। এই থারমোরেগুলেশন সিস্টেমের কারণে গরম খুব বাড়লেও শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে না, একই থাকে। কোনো কারণে এই তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খর্ব হলে বাড়তে থাকে শরীরের তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াল পার হলেই সেটা সানস্ট্রোক। এতে রোগী আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। কখনো কখনো পুরোপুরি সংজ্ঞাহীনও হয়ে যান। তপ্ত শরীরে কখনো শুরু হয় ভুল বকা, খিঁচুনি। তবে এসব উপসর্গ যে সব সময় দেখা দেবে, তা নয়। তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াটাই সবচেয়ে বড় লক্ষণ। খুব তাড়াতাড়ি শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে না পারলে সানস্ট্রোক থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তবে এরকম মারাত্মক পরিস্থিতি হয় খুব কম। বেশির ভাগ সময় সাধারণ ব্যবস্থাতেই সমস্যা মিটে যায়। এই গরমে হঠাত্ করে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকলে (১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এটা অবশ্যই সানস্ট্রোক। এক্ষেত্রে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং ডাক্তার ডাকতে হবে। ডাক্তার না আসা পর্যন্ত বসে থাকবেন না। এক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিত্সার দায়িত্ব আপনারই।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy