1 Answers
কোনো কারণে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর যখন কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি ফেরত পাওয়া না যায়, তখন ঐ ঋণকে খেলাপি ঋণ বলে। অন্য কথায় যে সকল ঋণ, ঋণ গ্রহিতার নিকট থেকে বার বার নোটিশ দেয়ার পরও পাওয়া যায় না সে সকল ঋণকে খেলাপি ঋণ বলে।
খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে ‘ব্যাংকিং কমিশন’ গঠনের জোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এরই মধ্যে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করেছে। কিন্তু এ কমিশন গঠনেই সমাধান হবে না। কমিশন হয়তো কিছু প্রস্তাবনা রাখবেন, কিন্তু এসব প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন না করতে পারলে এবং কমিশনের ক্ষমতায়ন এবং স্বাতন্ত্র্য নিশ্চিত না করা গেলে কমিশন কাগুজে কমিশন হয়েই থাকবে তথা কমিশন গঠনের উদ্দেশ্য সফল হবে না। অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ পড়লে মনে হয়- খেলাপিদের বাঁচার কোনো পথ নেই। কিন্তু বাস্তবায়নের অভাবে এ আইনটিও খেলাপিদের জন্য নির্বিষ সর্পে পরিণত হয়েছে। ঋণ খেলাপের বিরুদ্ধে সরকারি সদিচ্ছা, দৃঢ় প্রত্যয়, কঠোর মনোভাব আর প্রতি ক্ষেত্রেই আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে বর্তমান আইনি কাঠামোতেই খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
খেলাপী ঋন আদায় এর জন্য মামলা করার Procedure হলো-
- ১) প্রথমে Bank গ্রাহককে ঋণ পরিশোধের জন্য Pursue করবে।
- ২) Pursue করে কাজ না হলে ৭ দিন সময় দিয়ে ডিমান্ড নোটিস দিতে হবে।
- ৩) তারপরও যদি কাজ না হয়, তবে মামলা দায়ের করতে Head Office এর Permission নিতে হবে।
- ৪) Head Office এর অনুমতি পাওয়ার পর উকিলের মাধ্যমে Legal Notice দিতে হবে।
- ৫) এরপর গ্রাহককে ১৫ দিন সময় দিতে হবে।
- ৬) তারপরও যদি Adjust না করে তাহলে মর্টগেজ সম্পত্তি বিক্রি করে পাওনা শোধ না হলে আদালতে মামলা করতে হবে।
- ৭) এছাড়া মর্টগেজকৃত সম্পত্তি নিলাম দিতে ব্যর্থ হলে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy