2389 views

2 Answers

বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে।

 ,

বিনয় পরম ধর্ম। বিনয়ী হতে পারা যেকোনো মানুষের মহৎ গুণ। যারা অহংকারকে পরিত্যাগ করে বিনয়ী হতে পারে তারাই অন্যদের কাছ থেকে যথাযথ মর্যাদা লাভ করতে পারে। উচ্চাভিলাস বা বড় হওয়ার বাসনা মানুষের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। মান-সম্মান, বংশ-মর্যাদা এবং সুনাম অর্জনের ক্ষেত্রে সকলেই চায় অন্যদের থেকে উচ্চ স্থানের অধিকারী হতে। এই লক্ষ্য অর্জনে তারা প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে। কেউ হয়তো জননেতার বেশে সাধারণ মানুষকে আশার আলো দেখিয়ে আবার কেউ হয়তো অর্থঃ -সম্পদ ও ক্ষমতার দ্বারা প্রভাব বিস্তার করে নিজেদেরকে বড় ও মহৎ হিসেবে জাহির করতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো এটাই যে, এসবের কোনো কিছুই মানুষকে প্রকৃত অর্থঃ ে বড় করে তুলতে পারে না। এই ধরণের ব্যক্তি কখনও কারো কাছ থেকে সম্মান পায় না। সাধারণ মানুষ মুখে সমর্থন করলেও মন থেকে তাদেরকে ঘৃণা করে। নম্রতা, কোমলতা এবং সৌজন্যবোধ ছাড়া কেউ সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে না। চিন্তা- চেতনায় উদার হওয়া এবং বিনয়ের সাথে জীবন পরিচালনা করলে মানুষের মন জয় করা সম্ভব। এই পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব মহৎ ব্যক্তি অমর ও চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, তাদের জীবনী পর্যবেক্ষণ করলে জানা যায়, তাঁরা সকলেই বিনয়ী ছিলেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের অবিসংবাদিত নেতা হযরত মুহম্মদ (স.) তাঁর বিনয় দ্বারা মানুষকে ধর্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গৌতম বুদ্ধ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, হাজী মুহম্মদ মুহসীন প্রমুখ মনীষীগণ বিনয়ের বাস্তব উদাহরণ। বিনয়ই তাদেরকে মানুষের কাছে আসতে এবং তাদের অকৃত্তিম ভালোবাসা অর্জন করতে সাহায্য করে। কাউকে সম্মান করার মাধ্যমে নিজের ক্ষুদ্রতা প্রকাশ পায় না। অন্যকে অবজ্ঞা করে কেউ বড় হতে পারেনি এ জগতে। যে সব রাজা-বাদশা এবং সেনানায়কগণ অহংকার আর ক্ষমতার বলে অন্ধ ছিলেন তারা ইতিহাসে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। পৃথিবীর মানুষ ঘৃণাভরে সারাজীবন তাদের নাম উচ্চারণ করবে।

শিক্ষা: নিজেকে সম্মানিত করতে হলে অপরকে সম্মান দিতে হবে, বিনয় প্রদর্শন করতে হবে। আপন কর্মই মানুষকে সমাদৃত করে। অন্যকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করলে প্রকৃতপক্ষে নিজের বড় হওয়ার পথ অবরুদ্ধ হয় এবং নিজেকেই হেয় প্রতিপন্ন করা হয়।

2389 views

বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে।

 

বিনয় পরম ধর্ম। বিনয়ী হতে পারা যেকোনো মানুষের মহৎ গুণ। যারা অহংকারকে পরিত্যাগ করে বিনয়ী হতে পারে তারাই অন্যদের কাছ থেকে যথাযথ মর্যাদা লাভ করতে পারে। উচ্চাভিলাস বা বড় হওয়ার বাসনা মানুষের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। মান-সম্মান, বংশ-মর্যাদা এবং সুনাম অর্জনের ক্ষেত্রে সকলেই চায় অন্যদের থেকে উচ্চ স্থানের অধিকারী হতে। এই লক্ষ্য অর্জনে তারা প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে। কেউ হয়তো জননেতার বেশে সাধারণ মানুষকে আশার আলো দেখিয়ে আবার কেউ হয়তো অর্থ-সম্পদ ও ক্ষমতার দ্বারা প্রভাব বিস্তার করে নিজেদেরকে বড় ও মহৎ হিসেবে জাহির করতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো এটাই যে, এসবের কোনো কিছুই মানুষকে প্রকৃত অর্থে বড় করে তুলতে পারে না। এই ধরণের ব্যক্তি কখনও কারো কাছ থেকে সম্মান পায় না। সাধারণ মানুষ মুখে সমর্থন করলেও মন থেকে তাদেরকে ঘৃণা করে। নম্রতা, কোমলতা এবং সৌজন্যবোধ ছাড়া কেউ সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে না। চিন্তা- চেতনায় উদার হওয়া এবং বিনয়ের সাথে জীবন পরিচালনা করলে মানুষের মন জয় করা সম্ভব। এই পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব মহৎ ব্যক্তি অমর ও চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, তাদের জীবনী পর্যবেক্ষণ করলে জানা যায়, তাঁরা সকলেই বিনয়ী ছিলেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের অবিসংবাদিত নেতা হযরত মুহম্মদ (স.) তাঁর বিনয় দ্বারা মানুষকে ধর্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গৌতম বুদ্ধ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, হাজী মুহম্মদ মুহসীন প্রমুখ মনীষীগণ বিনয়ের বাস্তব উদাহরণ। বিনয়ই তাদেরকে মানুষের কাছে আসতে এবং তাদের অকৃত্তিম ভালোবাসা অর্জন করতে সাহায্য করে। কাউকে সম্মান করার মাধ্যমে নিজের ক্ষুদ্রতা প্রকাশ পায় না। অন্যকে অবজ্ঞা করে কেউ বড় হতে পারেনি এ জগতে। যে সব রাজা-বাদশা এবং সেনানায়কগণ অহংকার আর ক্ষমতার বলে অন্ধ ছিলেন তারা ইতিহাসে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। পৃথিবীর মানুষ ঘৃণাভরে সারাজীবন তাদের নাম উচ্চারণ করবে।

শিক্ষা: নিজেকে সম্মানিত করতে হলে অপরকে সম্মান দিতে হবে, বিনয় প্রদর্শন করতে হবে। আপন কর্মই মানুষকে সমাদৃত করে। অন্যকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করলে প্রকৃতপক্ষে নিজের বড় হওয়ার পথ অবরুদ্ধ হয় এবং নিজেকেই হেয় প্রতিপন্ন করা হওয়া উচিত। 

2389 views

Related Questions