2 Answers

২২ বছর বয়সে ওজন বাড়ানোর বিষয়টি বেশ সাধারণ। ধৈর্য্য রাখুন, কারণ ওজন বাড়ানো একদিনেই হয় না। আপনি যা করছেন তা খুবই ভালো। তবে কিছু বিষয় আরও যোগ করলে আপনার ওজন বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত হতে পারে।
আপনি কি করতে পারেন:
 * খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন:
   * ক্যালোরি গণনা: আপনার দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান। প্রতিদিনের খাদ্যে আরও বেশি ক্যালোরি যোগ করার চেষ্টা করুন।
   * প্রোটিন: মাংস, ডিম, দুধ, দই, বাদাম, মটরশুটি ইত্যাদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান। প্রোটিন পেশী বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
   * কার্বোহাইড্রেট: ভাত, রুটি, আলু, ফল ইত্যাদি কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবারও খান। কার্বোহাইড্রেট শরীরকে শক্তি দেয়।
   * স্বাস্থ্যকর চর্বি: অ্যাভোকাডো, বাদাম, বীজ ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খান। চর্বি শরীরকে শক্তি দেয় এবং পুষ্টি শোষণে সাহায্য করে।
   * দিনে ৫-৬ বার খাবার খান: ছোট ছোট করে বেশি বার খাবার খেলে আপনার শরীর সারাদিন শক্তি পাবে এবং ওজন বাড়ানো সহজ হবে।
 * ব্যায়াম:
   * শক্তি বাড়ানো ব্যায়াম: ওজন তোলা, পুশ-আপ, স্কোয়াট ইত্যাদি ব্যায়াম পেশী বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
   * কার্ডিও: দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি কার্ডিও ব্যায়াম আপনার হৃদপিণ্ড স্বাস্থ্যকর রাখবে এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করবে।
 * ঘুম:
   * পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতি রাতে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। ঘুমের সময় শরীর নিজেকে মেরামত করে এবং হরমোন সঠিকভাবে কাজ করে।
 * চাপ কমান:
   * যোগ, ধ্যান: যোগ এবং ধ্যান চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে স্বাস্থ্যকর রাখে।
 * ডাক্তারের পরামর্শ:
   * পরীক্ষা: কোনো অসুস্থতা আছে কি না তা পরীক্ষা করানো জরুরি।
   * পরামর্শ: ডাক্তার আপনাকে ওজন বাড়ানোর জন্য সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
কোনো সমস্যা করবে না এমন কিছু সেবন:
 * প্রাকৃতিক খাবার: উপরের উল্লিখিত খাবারগুলো প্রাকৃতিক এবং কোনো ক্ষতি করবে না।
 * সাপ্লিমেন্ট: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রোটিন পাউডার বা অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।
মনে রাখবেন:
 * ধৈর্য্য: ওজন বাড়ানো একদিনে হয় না। ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা করে যান।
 * স্বাস্থ্যকর খাবার: জাঙ্ক ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।
 * নিয়মিত পরীক্ষা: নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য উপকারী হবে।
Disclaimer: এই তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে এবং কোনো চিকিৎসাগত পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

62 views

যেহেতু আপনি আপনার মতো চেষ্টা করেছেন কিনতু ফল পাননি সেহেতু কজন পুষ্টিবিদ থেকে ডায়েট চার্ট বানিয়ে নেওয়াই শ্রেয়।

62 views

Related Questions

Translations: Bengali to English: বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষন্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওজন বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিষন্নতা ঘিরে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষন্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভােগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ওজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমােনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষন্নতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
1 Answers 7 Views
বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষণ্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণ্নতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়ান বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিদ্যুতা দিয়ে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় ভোগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। এজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষণ্ণতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। (Translations Bengali to English)
1 Answers 8 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views