1 Answers

দাঁত ক্ষয় হয়ে ছোট হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে মুখের গঠন পরিবর্তন হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু চিন্তা করবেন না, এর সমাধান আছে।
দাঁত ক্ষয় রোধের উপায়:
 * দাঁত পরিষ্কার: দিনে দুবার ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন। খাবার খাওয়ার পর মুখ কুলি করুন।
 * ফ্লস ব্যবহার: দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবারের কণা অপসারণের জন্য দিনে একবার ফ্লস ব্যবহার করুন।
 * মুখের স্বাস্থ্যবিধি: জিহ্বা পরিষ্কার করুন, নিয়মিত দাঁতের চেকআপ করান।
 * সুষম খাদ্য: শাকসবজি, ফলমূল, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য খান। মিষ্টি, চকোলেট, কার্বনেটেড পানীয় কম খান।
 * ধূমপান এবং মদ্যপান পরিহার: এগুলো দাঁতের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
মুখের গঠন পরিবর্তনের সমাধান:
দাঁত ক্ষয়ের কারণে মুখের গঠন পরিবর্তন হয়ে গেলে, দাঁতের ডাক্তার বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে এটি ঠিক করতে পারেন। যেমন:
 * ফিলিং: ছোট ছিদ্র পূরণের জন্য।
 * ক্রাউন: দাঁতের উপর একটি ক্যাপ পরানো।
 * ব্রিজ: এক বা একাধিক দাঁতের জায়গায় একটি কৃত্রিম দাঁত বসানো।
 * ইমপ্লান্ট: দাঁতের গোড়ায় একটি কৃত্রিম রুট বসানো এবং তার উপর একটি কৃত্রিম দাঁত বসানো।
কখন দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাবেন:
 * দাঁতে ব্যথা হলে
 * দাঁতে ছিদ্র হলে
 * দাঁতের রং পরিবর্তন হলে
 * মাড়িতে রক্তক্ষরণ হলে
মনে রাখবেন:
দাঁত ক্ষয় একটি ধীরে ধীরে হওয়া প্রক্রিয়া। তাই প্রথম লক্ষণ দেখা দিলেই দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
আশা করি এই তথ্য আপনার জন্য উপকারী হবে।

23 views

Related Questions

Translations: Bengali to English: বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষন্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওজন বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিষন্নতা ঘিরে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষন্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভােগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ওজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমােনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষন্নতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
1 Answers 7 Views
বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষণ্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণ্নতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়ান বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিদ্যুতা দিয়ে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় ভোগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। এজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষণ্ণতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। (Translations Bengali to English)
1 Answers 8 Views