1 Answers

সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis):

সংজ্ঞা: সালোকসংশ্লেষণ একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে উদ্ভিদ সূর্যালোকের শক্তি ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) ও পানি (H₂O) থেকে গ্লুকোজ (C₆H₁₂O₆) এবং অক্সিজেন (O₂) তৈরি করে।

প্রক্রিয়া:

ফোটোসিনথেসিসের অংশ:

  • লাইট রিয়াকশন: পাতা বা উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি বিভাজিত হয়, এবং অক্সিজেন মুক্ত হয়। এ সময় আলোশক্তি ব্যবহার করে ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট) এবং NADPH (নিকোটিনামাইড অ্যাডেনাইন ডাইনিউক্লিওটাইড ফসফেট) উৎপন্ন হয়।
  • ডার্ক রিয়াকশন: ATP এবং NADPH ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়া চলে।

তত্ত্বীয় সমীকরণ: 6CO2​+6H2​O+লাইটএনর্জি→C6​H12​O6​+6O2​

  • এই সমীকরণে ৬টি কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং ৬টি পানি মিলে ১টি গ্লুকোজ এবং ৬টি অক্সিজেন তৈরি হয়।

উদ্দেশ্য:

  • উদ্ভিদ তার খাদ্য তৈরি করে।
  • অক্সিজেন উৎপন্ন করে যা প্রাণীজগতের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয়।

প্রস্বেদন (Transpiration):

সংজ্ঞা: প্রস্বেদন হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে উদ্ভিদ পানি শোষণ করে মাটির সাথে এবং পাতার মাধ্যমে বাষ্প আকারে পরিবহন করে বাতাসে মুক্ত করে।

প্রক্রিয়া:

  1. পানি শোষণ: উদ্ভিদের শিকড়ের মাধ্যমে মাটি থেকে পানি শোষিত হয়।
  2. মাল্টি ও পরিবহন: শোষিত পানি উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করা হয়।
  3. বাষ্প নিষ্কাশন: পাতা ও অন্যান্য অংশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোর (স্টোমাটা) দিয়ে পানি বাষ্পের আকারে মুক্ত হয়।

উদ্দেশ্য:

  • পানি সমতা বজায় রাখা: উদ্ভিদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং জলশূন্যতা রোধ করে।
  • পুষ্টি পরিবহন: পানি, খনিজ উপাদান এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে পৌঁছাতে সহায়ক।
  • গ্যাস বিনিময়: সালোকসংশ্লেষণের জন্য কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ এবং অক্সিজেন মুক্ত করার প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
5 views

Related Questions

Translations: Bengali to English: বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষন্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওজন বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিষন্নতা ঘিরে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষন্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভােগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ওজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমােনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষন্নতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
1 Answers 7 Views
বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষণ্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণ্নতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়ান বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিদ্যুতা দিয়ে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় ভোগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। এজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষণ্ণতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। (Translations Bengali to English)
1 Answers 8 Views