1 Answers

পানি- হিন্দি ভাষা 

চাবি- পর্তুগিজ ভাষা

পাখি- তদ্ভব শব্দ

8 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views
মানবাধিকার হচ্ছে সেসব অধিকার যা জাতীয়তা, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্ম, ভাষা অথবা অন্য যে কোন অবস্থান নির্বিশেষে মানুষের নিকট অন্তর্নিহিত। বস্তুতঃ মানবাধিকার বলতে কিছু নৈতিক রীতিনীতি বা নিয়ম যা মানব আচরণের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডগ্র বোঝায়। আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারকে আইনগত অধিকার হিসেবে রক্ষা করা হয়। এই পৃথিবীতে প্রতিটি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই অধিকারগুলোকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বহু মানুষ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ থেকে বঞ্চিত। আমাদের দরিদ্র শিশুরা বলেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অনেক পথশিশু রয়েছে যারা আশ্রয়হীন। এইসব ছোটছোট বাচ্চাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন করতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুশ্রম বৃদ্ধি করে। (Translation: Bangla to English)
1 Answers 6 Views
পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views