1 Answers

কোন নাগরিকের পক্ষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ  বিষয় হলো একজন ভালো মানুষ হয়ে ওঠা। তাকে অবশ্যই তার ব্যক্তিগত জীবনে সৎ, ন্যায়পরায়ণ এবং সদয় হবার চেষ্টা করতে হবে। এটাই তার প্রাথমিক কর্তব্য। এর কারণ বোঝা কঠিন নয়। কোনো রাজ্য বা নগরের মঙ্গল মূলত নির্ভর করে তার নাগরিকদের নৈতিক চরিত্রের উপর।

= To become a good person is the most important thing for a person. He must try to be honest, just and kind in his personal life. This is his main duty. It is not difficult to understand the reason for this. The welfare of a state or a city depends largely on the moral character of its citizens.

4 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
মানবাধিকার হচ্ছে সেসব অধিকার যা জাতীয়তা, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্ম, ভাষা অথবা অন্য যে কোন অবস্থান নির্বিশেষে মানুষের নিকট অন্তর্নিহিত। বস্তুতঃ মানবাধিকার বলতে কিছু নৈতিক রীতিনীতি বা নিয়ম যা মানব আচরণের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডগ্র বোঝায়। আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারকে আইনগত অধিকার হিসেবে রক্ষা করা হয়। এই পৃথিবীতে প্রতিটি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই অধিকারগুলোকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বহু মানুষ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ থেকে বঞ্চিত। আমাদের দরিদ্র শিশুরা বলেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অনেক পথশিশু রয়েছে যারা আশ্রয়হীন। এইসব ছোটছোট বাচ্চাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন করতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুশ্রম বৃদ্ধি করে। (Translation: Bangla to English)
1 Answers 6 Views
পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views