1 Answers
চিকুনগুনিয়া একটি রোগ যা চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। জ্বর ও অস্থিসন্ধিগুলোতে ব্যথা হলো এই রোগের উপসর্গ। এগুলো সাধারণত রোগ ধরা পড়ার দুই থেকে বারো দিনের মধ্যে প্রকাশ পায়। অন্যান্য উপসর্গগুলো হলো মাথাব্যাথা, পেশিব্যথা, অস্থিসন্ধি ফুলে যাওয়া এবং ছোট ছোট লাল ফুসকুড়ি ওঠা। একসপ্তাহের মধ্যেই অধিকাংশ লোক ভালো হয়ে যায় তবে ক্ষেত্র বিশেষ অস্থিসন্ধির ব্যথাটা ১ মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। প্রতি ১,০০০ জনে ১ জনের মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে। মানুষের মধ্যে দুই ধরনের মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এডিস এলবোপিকটাস এবং এডিস এজেপটাই। মশাগুলো সাধারণত দিনের বেলায় কামড়িয়ে থাকে। পাখি ও ইঁদুরজাতীয় কিছু প্রাণি ছাড়া এই ভাইরাস বেশ কিছু প্রাণির মধ্যে ছড়াতে পারে। RNA ভাইরাসের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কিংবা শরীরের অ্যান্টিবডিতে ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয়ের মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা যায়। সকল মশার নিয়ন্ত্রণ ও এই ভাইরাস এড়িয়ে চলা হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার উত্তম উপায়। পানিতে মশার প্রবেশ নিধনের মাধ্যমে, মশা তাড়ানোর ঔষধ এবং মশারী ব্যবহারের মাধ্যমে এর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই রোগের কোনো টিকা ও সুনির্দিষ্ট ঔষধ আবিষ্কৃত হয়নি। জ্বর ও অস্থিসন্ধির ব্যথা প্রশমনের জন্য বিশ্রাম, তরল পদার্থ গ্রহণ এবং ঔষধ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।