1 Answers
”আয়কর মেলা”
বর্তমান সময়ে রাষ্ট্রের আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে জনগনের দেয়া কর আয়কর রাজস্ব আহরনের বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (National Board of Revenue) প্রতি বছর আয়কর মেলার আয়োজন করে। দেশের মানুষ কর আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে করযোগ্য আয়ের উপর বাৎসরিক কর প্রদান করবে এটাই নিয়ম। রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও ভালো কাজের উদ্যোগকে সহায়তা করার জন্য দেশের জনগন সরকারকে আয়কর দিয়ে থাকেন। দেশের রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ, হাসপাতাল ইত্যাদি নির্মাণ ও জনগনের জন্য সেবামূলক কাজে ব্যয় করার উদ্দেশ্যেই এই কর রাজস্ব আয় হিসাবে রাষ্ট্র সংগ্রহ করে।
বাংলাদেশের আয়কর মেলায় আয়কর দাতারা যে সকল সুবিধা পান তা হলোঃ রিটার্ন জমা, কর প্রদান, ই-টিন নিবন্ধন সহ রাজস্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা।
আয়কর প্রদানে উপযুক্ত ব্যক্তিঃ
০১. ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০ টাকার উপরে হলে আয়কর প্রদান করতে হবে।
০২. মহিলা এবং ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ বয়সের ব্যক্তি করদাতা আয় ৩০০,০০০ টাকা এর উপরে হলে তাকে আয়কর প্রদান করতে হবে।
০৩. প্রতিবন্ধি করদাতা ৩৭৫,০০০ টাকা এর উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানে উপযুক্ত হবেন।
০৪. গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় সীমা ৪২৫,০০০ টাকা এর অধিক হলে তিনি আয়কর প্রদানে উপযুক্ত হবে।
আয়করের জন্য আয়ের খাত সমূহঃ
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুযায়ী আয়েরখাত সমূহ নিম্নরূপঃ বেতনাদি, নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ, গৃহ সম্পত্তির আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশার আয়, মূলধনী মুন, স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের আয়, অন্যান্য উৎস হতে আয়। প্রতি বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়কর মেলার আয়োজন করে থাকে। রাষ্ট্রের জনগন এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আয়কর প্রদান করে থাকেন। আয়কর মেলার মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়। যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত রাখা সম্ভব। প্রতিটি সচেতন নাগরিকের উচিত সঠিক নিয়মে সঠিক পরিমানে আয়কর প্রদান করে রাষ্ট্রের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।