1 Answers

বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার (অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী)।

বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার (২০২২-২০২৩)।

4 views

Related Questions

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
২০২১ সাল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীর বছর। পেছনে তাকালে নিশ্চিত যে গেল ৫০ বছরে আমরা অনেক এগিয়েছি। মাথাপিছু আয়, রাস্তাঘাট, দালানকোঠা, নগরায়ণ, প্রবাসী আয়, আমদানি-রফতানি, রাজস্ব আয়, শিক্ষার হারসহ প্রায় সবকিছুরই অগ্রগতি হয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে, চিকিৎসা ব্যবস্থাও এগিয়েছে। বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতের প্রসার এবং একটি শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তা সমাজও গড়ে উঠেছে। এ দেখে নারীর উঠে দাঁড়ানের পর অপরাপর সমমানের দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। এরই মধ্যে যাত্রা হয়েছে একটি নতুন বছরের। অনেকের আশা স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে নবোদ্যমে যো করবে বাংলাদেশ। (Translate into English)
1 Answers 8 Views