1 Answers

মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) ও সিপিউ (CPU) এর মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য প্রথমে তাদের সংজ্ঞা এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানা জরুরি।

মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor):

মাইক্রোপ্রসেসর একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা কম্পিউটার বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রসেসিং এর প্রধান কাজগুলি করে। এটি মূলত একটি সম্পূর্ণ সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) একটি চিপে অন্তর্ভুক্ত করে। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:

  • অধিকাংশ ফাংশন: একটি মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ফাংশন যেমন অঙ্কগণিত (arithmetic), লজিক (logic), কন্ট্রোল (control) এবং ইনপুট/আউটপুট (I/O) পরিচালনা করে।
  • ইন্টিগ্রেশন: এটি উচ্চ পর্যায়ের ইন্টিগ্রেশন দ্বারা গঠিত যা কম্পিউটারের প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন করে।

সিপিউ (CPU):

সিপিউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) হল কম্পিউটারের মূল প্রসেসর যা সকল ধরণের নির্দেশনা সম্পাদন করে। এটি মাইক্রোপ্রসেসরের চেয়ে বিস্তৃত ধারণা এবং সাধারণত নিম্নলিখিত উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত করে:

  • ALU (Arithmetic Logic Unit): যেখানে সকল গাণিতিক ও লজিক অপারেশন সম্পাদিত হয়।
  • CU (Control Unit): যা নির্দেশনাগুলি ব্যাখ্যা করে এবং অন্যান্য অংশগুলিকে সঠিকভাবে কাজ করতে নির্দেশ দেয়।
  • Registers: যা তথ্য এবং নির্দেশনা সঞ্চয় করে।

মূল পার্থক্য:

অভিধানিক পার্থক্য:

  • মাইক্রোপ্রসেসর: একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট যা সিপিউ হিসেবে কাজ করে এবং একটি চিপে সমস্ত সিপিউ ফাংশনকে অন্তর্ভুক্ত করে।
  • সিপিউ: একটি প্রসেসিং ইউনিট যা কম্পিউটারের সকল ফাংশনকে নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদনা করে।

কম্পোনেন্টস:

  • মাইক্রোপ্রসেসর: একক চিপ যা সিপিউ-এর সমস্ত কাজ সম্পাদন করে।
  • সিপিউ: ALU, CU এবং রেজিস্টারগুলির সমন্বয় যা সব ধরনের গাণিতিক ও লজিক অপারেশন সম্পাদন করে।

ব্যবহার:

  • মাইক্রোপ্রসেসর: সাধারণত মাইক্রোকন্ট্রোলার, এমবেডেড সিস্টেম, এবং সাধারণ কম্পিউটার ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।
  • সিপিউ: মূলত ব্যক্তিগত কম্পিউটার, সার্ভার এবং বৃহৎ কম্পিউটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, সহজভাবে বলতে গেলে, একটি মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিপিউ-এর একটি চিপভিত্তিক সংস্করণ যা একই কাজ সম্পাদন করে কিন্তু বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এবং ইন্টিগ্রেশন স্তরে ব্যবহৃত হয়।

35 views

Related Questions

ইসলামী ব্যাংকিং আল-কুরআন এর বিধিবিধান অনুসরণ করে পরিচালিত একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা যাতে সুদের বিনিময়ে ধার ও ঋণের লেনদেন নিষিদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার লক্ষ্য হচ্ছে সুদ নির্মূলকরণ এবং অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা, ন্যায়বিচার দক্ষতা, স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির নীতি প্রতিষ্ঠা। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উদ্যোক্তা এবং পুঁজিমালিকের মধ্যে শিল্প অথবা বাণিজ্যিক ঝুঁকি সমানভাবে বণ্টন এবং বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফা থেকে প্রাপ্ত অর্থ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আনুপাতিক মূলধনের ভিত্তিতে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকিং সবচেয়ে উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views