1 Answers

ছয় দফাতে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শাসন, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির কথা ছিল বলে একে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
ছয় দফা ছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উত্থাপিত বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। এতে বাঙালির চরম প্রত্যাশিত স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানানো হয়। তাছাড়া ছয়দফার মাধ্যমে বাঙালির জন্য পৃথক অর্থব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষার দাবি জানানো হয়। এর ফলে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রত্যয় ব্যক্ত হয়। এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা না বলা হলেও এ কর্মসূচি বাঙালিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে। এ কারণেই ছয় দফাকে পূর্ব বাংলার মুক্তির সনদ বলা হয়।

5 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views